Logo
শিরোনাম

‘ভুয়া’পরিচয়ে ঢাবিতে অধ্যয়নরত এক শিক্ষার্থী আটক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ নভেম্বর ২০২৩ | ১৫৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ভুয়া পরিচয়ে ষষ্ঠ সেমিস্টারের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অভিযোগে এক অছাত্রকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত ওই শিক্ষার্থীর নাম সাজিদ উল কবির। তাকে বিভাগের ষষ্ঠ সেমিস্টারের একটি কোর্সের ইনকোর্স পরীক্ষা চলাকালীন আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ছাত্রত্বের কোনও প্রমাণ দিতে পারেনি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নয় বলে স্বীকারও করেছে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার কাছ থেকে লিখিত স্বীকারোক্তি নিয়ে বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখার জন্য তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছে।

বিভাগের একাধিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অভিযুক্ত ওই শিক্ষার্থী ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে আসছিল। ব্যাচের সবাই এতবছর তাকে (সাজিদ) সহপাঠী ভেবেই এসেছেন। বুধবার (২৪ আগস্ট) বিভাগের এক শিক্ষকের একটি কোর্সের পরীক্ষা চলাকালীন সন্দেহজনক পরিস্থিতি তৈরি হলে ওই শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু ওই শিক্ষার্থী তার ছাত্রত্বের কোনও কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।

এ বিষয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. তাসনিম সিদ্দিকী বলেন, আমাদের এক শিক্ষকের একটি কোর্সের পরীক্ষা চলাকালীন ওই শিক্ষার্থী একটি রোল নম্বরে পরীক্ষা দিচ্ছিল, যেটি তার নয়। প্রাথমিকভাবে আমরা তাকে আমাদের বিভাগের ছাত্র নয় বলে শনাক্ত করেছি। পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের অফিসের প্রতিনিধিদের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সহকারী প্রক্টর (সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ) আবু হোসেন মুহম্মদ আহসান বলেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের একটি কোর্সের মিডটার্ম পরীক্ষা চলার সময় বিভাগের শিক্ষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে আমি এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিসের দুই কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট বিভাগে যাই। আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখেছি। তার ছাত্রত্ব নেই, সে নিজেও স্বীকার করেছে। সে দ্বিতীয় সেমিস্টার পরীক্ষা দেওয়ার পর দ্বিতীয় বর্ষে কোনও পরীক্ষা দেয়নি। এখন ষষ্ঠ সেমিস্টারে এসে দুই সপ্তাহ ধরে ক্লাস করছে। সে কোনও হলেও থাকে না।'

প্রক্টর এ কে এম গোলাম রাব্বানী বলেন, সে একজন বহিরাগত ও অছাত্র, বিশ্ববিদ্যালয়ে তার কোনও ছাত্রত্ব নেই। তার লিখিত ও মৌখিক স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আমরা তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছি। তার অন্য কোনও উদ্দেশ্য আছে কিনা তদন্ত করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নিবে।


আরও খবর