
বৃহস্পতিবার মুখোমুখি
হয়েছিল ইংল্যান্ড আর ভারত। লড়াইয়ে এবার জয়ী হলো ইংলিশরা। ভারতকে ১০০ রানের বিশাল ব্যবধানে
হারিয়ে সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
লর্ডসের যে উইকেটে
খেলা হয়েছে কাল, তার আবার দুর্নাম আছে ‘টু পেসড’ উইকেট বলে। মানে, একটা বল তার স্বাভাবিক
গতিতে আসে তো আরেকটা বল আসে স্বাভাবিকের চেয়ে ধীরগতিতে, সেটা আবার বোলারের কোনো কারিকুরি
ছাড়াই। এমন উইকেটে রান হবে না তেমন, সেটাই ধারণা করা হচ্ছিল, সেটাই সত্যি হয়েছে শেষমেশ।
বিশ্বের অন্যতম সেরা দুই ব্যাটিং লাইনআপ রীতিমতো সংগ্রামই করেছে রানের জন্য।
টু পেসড উইকেট
বলেই হয়তো, ভারত অধিনায়ক রোহিত টস জিতে ইংল্যান্ডকে পাঠিয়েছিলেন ব্যাট করতে। আগের ম্যাচেই
ওভালে শুরুতেই ইংল্যান্ডকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন যশপ্রীত বুমরাহ। তবে গতকাল তার দেখা মিলল
না। সাবধানী সূচনায় তার সঙ্গে মোহাম্মদ শামিকেও সামলে নিয়েছিলেন দুই ওপেনার জেসন রয়
আর জনি বেয়ারস্টো।
লিয়াম লিভিংস্টোন
আর মইন আলির জুটিতে হালে খানিকটা পানি পায় দলটি। ৩৩ বলে ৩৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস
খেলেন লিভিংস্টোন। ৪৭ রান করেন মইন। এর পর ডেভিড উইলির ৪১ রানে ভর করে ইংল্যান্ড পায়
২৪৬ রানের পুঁজি।
আগের ম্যাচে মামুলি
লক্ষ্য বিনা উইকেটে তাড়া করে ফেলেছিল ভারত। তবে ওভালের সেই কীর্তি লর্ডসে ফেরেনি। ১০
বল খেলে ০ রানে ফেরেন ভারত অধিনায়ক রোহিত, তার ওপেনিং-সঙ্গী শিখর ধাওয়ানও ফেরেন দুই
অঙ্কে যাওয়ার আগেই। এর পর চারে নামা ঋষভ পান্ত ফেরেন রানের খাতা খোলার আগে।
শুরুতে দুই ওপেনার
রোহিত আর শিখরের উইকেট নেওয়া রিস টপলি এরপর ছড়ি ঘোরালেন ইনিংসের বাকি অংশে। ২৪ রানে
৬ উইকেট তুলে নিয়ে ওয়ানডেতে ইংলিশ বোলারদের সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড গড়েন তিনি। তা সামলানোর
চেষ্টা ছিল সূর্যকুমার যাদব, রবীন্দ্র জাদেজা, হার্দিক পান্ডিয়া আর মোহাম্মদ শামির।
তবে তাদের কেউই ৩০ এর ঘরেও যেতে পারেননি। ফলে ভারত মুখ থুবড়ে পড়ে ১৪৬ রান তুলেই। আর
১০০ রানের জয় নিয়ে ইংল্যান্ড সিরিজে ফেরায় ১-১ সমতা।

