
মেয়ের ধর্ষককে
নিজ হাতে শাস্তি দিলেন বাবা। মরদেহ কেটে টুকরো করে নদীতে ফেলেছেন। নিজের মেয়ের এমন
অসম্মান মেনে নিতে না পেরেই তিনি এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। মধ্যবয়স্ক
এক ব্যক্তি তার কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। তারপরেই ওই ব্যক্তির টুকরো
মরদেহ নদীতে পাওয়া গেছে।
এই ঘটনা ঘটেছে
ভারতের মধ্য প্রদেশের খান্দাওয়া জেলায়। সোমবার পুলিশ জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায়
ওই কিশোরীর বাবা এবং তার মামা জড়িত ছিলেন।
ভারতীয় গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে, রোববার জেলা সদর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে
আজনল নদীতে মরদেহের শরীরের বিভিন্ন অংশ ভাসতে দেখা যায়। সামাজিক মাধ্যমে বেশ কিছু ছবি
ছড়িয়ে পড়তেই জানা যায় যে, ওই ব্যক্তির নাম ত্রিলোকচান্দ, বয়স ৫৫ বছর। তিনি সাকতাপুরের
বাসিন্দা।
ত্রিলোকচান্দের
বিরুদ্ধে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে হত্যার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই ঘটনার পর গত শনিবার নিজেদের
মোটরসাইকেলে করে ওই ব্যক্তিকে আজনল নদীর কাছে নিয়ে যান ওই কিশোরীর বাবা এবং মামা।
পরে ওই ব্যক্তিকে
গলা কেটে হত্যা করা হয় এবং মাছ কাটার একটি যন্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশ আলাদা করা
হয়।
এই হত্যাকাণ্ডের
ঘটনায় ওই কিশোরীর বাবা এবং মামাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় তদন্ত চলছে। পুলিশ
জানিয়েছে, ত্রিলোকচান্দ ওই ব্যক্তিদের আত্মীয় ছিলেন।

