
আগামী নভেম্বরে মুক্তি পেতে যাচ্ছে মৌসুমীর নতুন সিনেমা ‘ভাঙন’। মির্জা সাখাওয়াত হোসেন পরিচালিত সরকারি অনুদানে নির্মিত সিনেমা এটি। সিনেমাটির কাহিনী, সংলাপ, চিত্রনাট্য পরিচালকের নিজের। গল্পে উঠে এসেছে একটি পুরনো রেলওয়ে স্টেশনকে কেন্দ্র করে হকার, বংশীবাদক, চুড়িওয়ালি, ভিখারি, পকেটমার, যৌনকর্মী, দালাল, মাদকসেবীসহ কতিপয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মানুষের যাপিত জীবনের কথা। ভাঙন সিনেমার কেন্দ্রীয় একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন মৌসুমী। এতে তার সহশিল্পী হিসেবে ছিলেন ফজলুর রহমান বাবু, প্রাণ রায়, রাশেদা চৌধুরীসহ আরো অনেকে। মোহন গায়েনের বাঁশি নামের ছোটগল্প থেকে অনুপ্রাণিত এ সিনেমায় ফজলুর রহমান বাবু অভিনয় করছেন বংশীবাদকের চরিত্রে।
একই সময়ে তিনটি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন মৌসুমী। এগুলো হচ্ছে আশুতোষ সুজনের ‘দেশান্তর’, জাহিদ হোসেনের ‘সোনার চর’ ও ‘ভাঙন’। নতুন সিনেমা নিয়ে মৌসুমী বলেন, ভাঙন সিনেমার গল্পটা আমার কাছে ভালো লেগেছিল। অন্য অনেক সিনেমার চেয়ে এর গল্পটা বাস্তবধর্মী। আমার চরিত্রটিও বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। এ সিনেমায় অভিনয় করতে গিয়ে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে, শ্রম দিতে হয়েছে। একজন শিল্পী হিসেবে আসলে অভিনয়ে তো অতৃপ্তি থাকবেই। তার পরও এ সিনেমার চরিত্রটিতে নিজেকে যথাযথভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছি। এফডিসিতে দীর্ঘদিন পর টানা কোনো সিনেমার শুটিং সম্পন্ন করেছি। পরিচালক সাখাওয়াত ভাই বেশ যত্ন নিয়েই এটি নির্মাণ করেছেন। আমি আশাবাদী সিনেমাটি নিয়ে। এখন সিনেমা হলে দর্শকের যে জোয়ার চলছে, এটা খুব পজিটিভ। ভাঙনও সেই জোয়ারের মধ্যে দর্শকের প্রত্যাশা পূরণ করুক এটাই প্রত্যাশা। আর আমার জন্মদিনের ঠিক পরের দিনই এ সিনেমা মুক্তি পেতে যাচ্ছে। এটাও ভালো লাগার বিষয়।
মির্জা সাখাওয়াত হোসেন মনে করেন ভাঙন চলচ্চিত্রের গল্প মানবজীবনের গভীরতাকে স্পর্শ করবে। তিনি মনে করেন ছিন্নমূল মানুষের সুখ-দুঃখের উপাখ্যানই হলো ভাঙন। ছবিটির গল্পে মানুষের বয়স, দরিদ্রতাকে ছাপিয়ে প্রেম-প্রতারণার কথা আছে।

