
এটা সম্পূর্ণ
ভুল ধারণা যে স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে অনেক টাকা লাগে। বাস্তবে তা উল্টো। মরসুমি ফল-সব্জি
খেলে সব সময়ে শরীর ভাল থাকবে। আর দামও কম পড়বে। খুব দামি ফল বা সব্জি মানেই গুণ বেশি
এটা ধরে নেওয়া উচিত নয়। অনেককে দেখেছি সাধ্যের বাইরে গিয়ে বেদানার রস কিংবা স্টিকার
দেওয়া বিদেশি আপেল খাচ্ছেন। কিন্তু এগুলো কোনও প্রয়োজন নেই। সবচেয়ে কম দামে একটি ফল
হাতের কাছেই আছে। সেটা যখন ইচ্ছে খাওয়া যায়, কিন্তু লোকে সাধারণত অবহেলা করেন। তা হল
কলা। কলায় যে পরিমাণ পুষ্টিগুণ রয়েছে, তা অনেক ফলেই নেই। শরীরে স্ফূর্তি জোগাতে এর
জুড়ি মেলা ভার।
ফল
কলা ছাড়াও দিনে
একটি করে পেয়ারা খেলেও অনেকটাই গুণ পাওয়া যায়। শরীরে যতটা ভিটামিন সি-র প্রয়োজন তার
জন্য দিনে একটি আমলকি খেলেই তা মিটে যায় বলে তিনি জানালেন। তাই ফলের পিছনে বেশি খরচ
করার প্রয়োজন নেই।
টুকটাক খাবার
খিদে পেলে কী
খাওয়া যেতে পারে? ড্রাই ফ্রুট অনেকের কাছেই সাধ্যের বাইরে। তা হলে স্বাস্থ্যকর কী খাওয়া
যায়? ডিমে ক্যালশিয়াম, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট এবং আরও অনেক পুষ্টিগুণ রয়েছে। আমরা
মোটামুটি কমপ্লিট মিল বলতে পারি। খিদে পেলে ডিম সেদ্ধ কোনও বিকল্প নেই।
প্রোটিন
অনেকেই আজকাল
চিকেন ছাড়া খেতে চান না। কিন্তু অভ্যাস বদলাতে হবে বলে মনে করছেন পুষ্টিবিদ। যে কোনও
ধরনের মাছেও প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে। তাই মাছ খাওয়া খুব জরুরি। নিরামিষাসীদের
জন্য ডাল, দুগ্ধজাত খাবার মাছ-মাংসের বিকল্প হতে পারে। কিন্তু অনেক বাঙালির দুগ্ধজাত
খাবার খেলেই গ্যাস-অম্বল হওয়ার প্রবণতা আছে। সে ক্ষেত্রে সোয়াবিন খাওয়া যেতে পারে।
তাড়াহুড়োর খাবার
সময় কম। কিংবা রান্না করতে তেমন ইচ্ছা করছে না? কোনও প্রোটিন ড্রিঙ্ক বা মিল সাপ্লিমেন্ট না খেয়ে খিচুড়ি তৈরি করা সবচেয়ে ভাল। এটা তাড়াতাড়ি হয়ে যায়, এমন কিছু খরচ সাপেক্ষও নয়। এবং এতে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং ভিটামিন (সব্জি ব্যবহার করতে হবে) রয়েছে ভরপুর। সঙ্গে অবশ্য একটু দেশি ঘি যোগ করতে হবে। তাহলে একই খাবার থেকে ফ্যাটও পেয়ে যাবেন।

