
বিধিনিষেধ কার্যকরে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘বিধিনিষেধ আগের
চেয়ে কঠোর হবে। বিধিনিষেধ কার্যকর করতে পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি এ সেনাবাহিনীর সদস্যরা
মাঠে থাকবেন। বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) সাংবাদিকদের
এসব কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অফিস আদালত, গার্মেন্টস
ফ্যাক্টরিসহ সবকিছু বন্ধ থাকবে। এ পর্যন্ত যত সর্বাত্মক কঠোর বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছে
সেভাবেই চলবে। যেহেতু মানুষের প্রয়োজন হবে না বাইরে আসার, আগে অফিস আদালতে যেতে হতো,
গার্মেন্টস কারখানায় যেতে হতো, এবার তা হবে না। তাই গতবাবের চেয়েও বিধিনিষেধ কঠোর থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘যেহেতু অফিস,
কর্মক্ষেত্র বন্ধ থাকবে, যেহেতু যারা বাড়িতে গিয়েছেন তারা সময় নিয়ে গেছেন, তারা যেন
৫ তারিখের পরেই আসেন। তাদের তো (বিধিনিষেধ চলাকালে) আসার প্রয়োজন নেই। সংক্রমণ কমানোর
জন্য অবশ্যই বিধিনিষেধ মানতে হবে। ঘরে থাকতে হবে। প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হবেন না।
জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বেরুতে হলে ডাবল মাস্ক পরবেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন। এইটা
যদি ১৪ দিনের জন্য করতে পারি তাহলে সংক্রমণ কমবে; না হলে বাড়তে থাকবে, হাসপাতালে রোগীর
যে চাপ সেই চাপ বাসা-বাড়িতে আসবে। অতএব সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।’
এদিকে, গত সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের
উপসচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে নিম্নোক্ত তিনটি বিষয়কে বিধিনিষেধের
আওতামুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
১. খাদ্য ও খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ
মিল কারখানা।
২. কোরবানির পশুর চামড়া পরিবহণ, সংরক্ষণ
ও প্রক্রিয়াজাতকরণ।
৩. ওষুধ, অক্সিজেন ও কোভিড-১৯ প্রতিরোধে
ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদনকারী শিল্প।
উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে আগামীকাল শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হচ্ছে, যা ৫ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

