
হেক্টর ভেলার পিন্টো পেরুর প্রধানমন্ত্রী
হওয়ার চারদিনের মাথায় তার মধ্যেই তার বিরুদ্ধে মেয়ে এবং স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ
ওঠে। আর এই অভিযোগেই প্রেসিডেন্ট পেদ্রো কাস্তিল্লো তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন। দেশটির
একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ এনেছেন স্বয়ং তাঁর স্ত্রী
ও মেয়ে!
২০১৬ সালে পারিবারিক সহিংসতার ঘটনায় তার
বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। এ নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পরই ক্ষমতা হারালেন
দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী।
গত শুক্রবারই প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেছিলেন, তিনি মন্ত্রিসভায় রদবদল করবেন। তার ঠিক তিন দিন আগেই নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছিলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী করেছিলেন হেক্টর ভ্যালেরকে। কিন্তু, মন্ত্রিসভা রদবদলের সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতেই হেক্টরের ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়ে যায়। গত ছয় মাসে এই নিয়ে চারবার মন্ত্রিসভার রদবদল করতে চলেছেন প্রেসিডেন্ট পেদ্রো কাস্তিল্লো।
এদিকে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হওয়া প্রতিবেদন অস্বীকার করেছেন ভ্যালের পিন্টো। তার দাবি, তিনি এ ধরনের কোনো অপরাধ করেননি এবং পারিবারিক সহিংসতার জন্য তিনি কখনও দোষী সাব্যস্ত হননি।
যে অভিযোগকে উপলক্ষ করে তাঁকে অপসারণ করা হল, তা একেবারেই ভিত্তিহীন। তিনি কোনো দিনই তাঁর স্ত্রী বা মেয়ের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেননি। বরং দেশের সরকার যাতে সুষ্ঠুভাবে গঠিত এবং পরিচালিত হয়, তা নিশ্চিত করতেই কাজ করে গেছেন। আগামী দিনেও তাই করবেন বলে জানিয়েছেন হেক্টর।

