
সংস্কৃতি বিষয়ক
প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা।
এটিকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে দেশজুড়ে উৎসবের আমেজ শুরু হয়েছে। কিন্তু একশ্রেণির সাম্প্রদায়িক,
ধর্মান্ধ, মৌলবাদী গোষ্ঠী এ সময় হিন্দু-মুসলমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার
উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধরনের পাঁয়তারা ও ষড়যন্ত্র করার প্রচেষ্টায় জড়িত থাকে। দুর্গাপূজাকে
কেন্দ্র করে গতবছর কুমিল্লায় সে ধরনের এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছিল। এ বছর যাতে সে ঘটনার
পুনরাবৃত্তি না হয় এবং দুর্গাপূজায় যাতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় থাকে সেদিকে সবাইকে
সজাগ থাকতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী
আজ শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর-এর সিনেপ্লেক্স মিলনায়তনে স্বনামধন্য মিউজিক
কোম্পানি সংগীতার আয়োজনে বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরীর মিউজিক ভিডিও
অ্যালবাম ‘পূজো আসে’ এর প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
কে এম খালিদ
বলেন, ‘আগে ঈদ ও দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় বিশেষ সংখ্যার হিড়িক
পড়ে যেত. যেটি এখন তেমন দেখা যায় না। তাছাড়া বিভিন্ন অডিও কোম্পানি এ উপলক্ষে বিভিন্ন
গানের অ্যালবাম বের করতো।’
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী
বলেন, ‘এবার শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সারা দেশে প্রায় ৩৩ হাজার প্রতিমা তৈরি
হচ্ছে যা গতবছরের তুলনায় বেশি। যে কোনো ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে এক ধরনের প্রতিযোগিতা শুরু
হয় এবং তা সব ধর্মেই রয়েছে। এটি মূলত বিশ্বাস ও সৃষ্টিকর্তার নৈকট্য লাভ করার উদ্দেশ্যেই
করা হয়।’
প্রতিমন্ত্রী
এ সময় ড. অরূপরতন চৌধুরীর মিউজিক ভিডিও অ্যালবাম ‘পূজো আসে’র বহুল প্রচার ও সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন। সংগীত বিষয়ক পত্রিকা
সারেগামা’র সিনিয়র সম্পাদক ও উপদেষ্টা রওনাক হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা
বক্তব্য দেন মুক্তিযোদ্ধা মো. মনোয়ার হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন সংগীতার প্রধান উপদেষ্টা
খায়রুল হাসান। মিউজিক ভিডিও অ্যালবাম সম্পর্কে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করেন মিউজিক ভিডিওর
কণ্ঠশিল্পী অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরী।
উল্লেখ্য, মিউজিক
ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন এ বাবুল এবং তার সহকারী হিসাবে কাজ করেছেন নিলয়। সংগীতায়োজন
করেছেন সুমন কল্যাণ। গানটির কথা লিখেছেন প্রসেনজিৎ পূজা ওঝা। কোরিওগ্রাফিতে ছিলেন শাকিল
ও ভিডিওগ্রাফিতে ছিলেন সানি খান। গানটিতে মডেল হয়েছেন শান্তা পাল, রিয়া বর্মণ, রাইসা,
আরাফাত, দেবদীপ এবং এক ঝাঁক নৃত্যশিল্পী।

