
চট্টগ্রামে শিশু
আয়াত হত্যা মামলার আসামি আবির আলীর মা-বাবা ও বোনকে তিনদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রাম অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল হালিম শুনানি
শেষে এ আদেশ দেন।
এর আগে শিশু আয়াতকে
অপহরণের পর হত্যা করে ৬ খণ্ড করায় অভিযুক্ত আবির আলীর প্রথমে দুই দিন এবং পরে আবার
৭ দিনের রিমান্ড দেন আদালত।
ইপিজেড থানার
দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডের নয়ারহাট এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানা ও সাহিদা আক্তার তামান্না
দম্পতির মেয়ে আয়াত। তিনতলা ভবনের মালিক সোহেলের ওই এলাকায় একটি মুদির দোকান আছে। আয়াত
স্থানীয় তালীমূল কোরআন নূরানী মাদরাসার হেফজখানার ছাত্রী ছিল।
আবীর আলী (১৯)
নগরের ইপিজেড থানার দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডের নয়ারহাট এলাকার ভাড়াটিয়া বাসিন্দা আজহারুল
ইসলামের ছেলে। তাদের বাড়ি রংপুর জেলায়। শিশু আয়াতকে খুনের মামলায় তার সম্পৃক্ততার তথ্যপ্রমাণ
পাওয়ার পর গত ২৪ নভেম্বর রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই।
এর আগে গত ২৫
নভেম্বর আবীরকে নিয়ে পুলিশ নগরীর আকমল আলী সড়কের স্লুইস গেট সংলগ্ন নালায় এবং পরবর্তীতে
আউটার রিং রোড সংলগ্ন বে-টার্মিনাল এলাকার সমুদ্র পাড়ে যায়। ‘সাগরের পানিতে’ভেসে যাওয়ায় শিশুটির মরদেহ
উদ্ধার করা যায়নি। তবে আকমল আলী সড়কে তার মায়ের বাসার সামনে একটি ঝোপ থেকে হত্যাকাণ্ডে
ব্যবহৃত বঁটি উদ্ধার করে। এছাড়া আয়াতের বাসার পাশে কবরস্থানে আয়াতের পায়ের স্যান্ডেলও
উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় আয়াতের
বাবা বাদী হয়ে নগরের ইপিজেড থানায় মামলা দায়ের করেন। রোববার শিশু আলীনা ইসলাম আয়াতকে
অপহরণের পর হত্যায় অভিযুক্ত রিমান্ডে থাকা আবীর আলীকে সঙ্গে নিয়ে ফের মরদেহের খণ্ডিত
অংশগুলোর সন্ধানে তল্লাশি চালায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চট্টগ্রাম মেট্রো।

