
কাবুলের শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ। অন্তত ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। আহতের সংখ্যা
আরও অনেক। নিহত এবং আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে খবর সংবাদমাধ্যম সূত্রে।
শুক্রবার স্থানীয়
সময় অনুযায়ী সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ এই বিস্ফোরণ ঘটে। কাবুলের পশ্চিম দিকে ‘কাজএডুকেশন সেন্টার’ হঠাৎই কেঁপে ওঠে তীব্র শব্দে। সেখানে
তখন পরীক্ষা চলছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশিকা পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতিমূলক ওই পরীক্ষায়
বসেছিলেন অনেক পড়ুয়া।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম
সূত্রে খবর, ‘কাজএডুকেশন সেন্টার’ থেকে এখনও পর্যন্ত
১০০ পড়ুয়ার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা
হচ্ছে। যখন বিস্ফোরণটি হয়, তখন ক্লাসরুম কানায় কানায় ভর্তি ছিল।
শুক্রবার এই প্রতিবেদন
লেখা পর্যন্ত কোনও সংগঠনের তরফে এই আত্মঘাতী বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করা হয়নি। তালিবানের
তরফে জানানো হয়েছে, ঘটনার খবর পেয়েই সেখানে পৌঁছেছে তাদের নিরাপত্তারক্ষীরা। পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।
কাবুলের ওই এলাকায়
সাম্প্রতিক অতীতে একাধিক বার হামলা হয়েছে। এলাকায় মূলত সংখ্যালঘুদের বাস। তাঁদেরকেই
‘লক্ষ্য’ করা হচ্ছে বার বার, এমনটাই মত পর্যবেক্ষকদের
একাংশের।
গত বছর অগস্ট
মাসে আফগানিস্তানে ক্ষমতায় আসে তালিবান। তারা জানিয়েছিল, দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠাই তাদের
লক্ষ্য। কিন্তু গত কয়েক মাসে তালিবান-শাসিত আফগানিস্তান থেকে একাধিক অশান্তির খবর এসেছে।
নাগরিকদের ক্ষমতা খর্ব করার অভিযোগ উঠেছে সরকারের বিরুদ্ধে। একাধিক বিস্ফোরণ, হামলাও
হয়েছে সেখানে। কাবুল-সহ আফগানিস্তানের কোনায় কোনায় সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ মাথা চারা
দিয়েছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। তার মাঝেই শুক্রবার সকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আত্মঘাতী হামলার
ঘটনা ঘটল।

