
সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
খুলে দিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে বৈঠকে বসবেন শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ ব্যক্তি ও কর্মকর্তারা। করোনা সংক্রমণের কারণে গত দেড় বছর থেকে
বন্ধ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এতে শিক্ষা জীবন শেষ করা নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছে কয়েক
হাজার শিক্ষার্থী।
শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন শেষ করা নিয়ে
সরকারও বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। কিন্তু এর মধ্যে হঠাৎ করে ভারতের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট
চলে আসায় আবারও সব স্থবির হয়ে পড়ে। তবে এবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে নির্দেশনা
দিয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফলে প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে
ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে শিক্ষামন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তার।
এরই অংশ হিসেবে আজ যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে,
সেই বৈঠকে চলমান করোনা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা ছাড়াও শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টদের
টিকা দেওয়ার অগ্রগতি, শিক্ষার ক্ষতি পোষানোর সম্ভাব্য কৌশল নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা হবে।
এ বৈঠকের সিদ্ধান্ত আগামী শনি অথবা রবিবার
সংবাদ সম্মেলন করে জানাবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের
সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে দ্রুত সময়ের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
খুলে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। এরপর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার
জোর প্রস্তুতি চলছে। বৃহস্পতিবার শিক্ষার দুই মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্থ সংশ্লিষ্ট দপ্তর
প্রধানদের নিয়ে এ সংক্রান্ত একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে আজ যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে সেই বৈঠকে- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী এবং তিন সচিব যোগ দেবেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান ও সদস্য, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং করোনাসংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি কমিটির সদস্যদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে ৮ মার্চ দেশে প্রথম
করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এরপর
গত ১৭ মাসে মোট ২২ দফা ছুটি বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে ২৪ মে ও ১৩ জুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েও করোনার ঊর্ধ্বগতির কারণে তা সম্ভব হয়নি।

