
চিত্রনায়িকা
মাহিয়া মাহির সঙ্গে অডিও কেলেঙ্কারিসহ নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর
পদ হারান ডা. মুরাদ হাসান। এ ছাড়া তিনি জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা
বিষয়ক সম্পাদক পদও হারান। দলীয় এ পদ ফিরে পেতে
সাধারণ ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন মুরাদ। আজ বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার
কাছে লিখিত আকারে এ আবেদন করেছেন তিনি।
আবেদনে ডা.
মুরাদ হাসান উল্লেখ করেন, তিনি জামালপুর-৪ আসনের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত সংসদ
সদস্য। তার বাবা মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি। তিনিও
জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু
গত বছরের ৭ ডিসেম্বর তাকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আবেদনে তিনি আওয়ামী লীগের
সম্মানহানি হয় এমন কোনো কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে না করারও দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
মাহির সঙ্গে
ফোনালাপকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ২০২১ সালের ৭ ডিসেম্বর প্রতিমন্ত্রীর
পদ থেকে পদত্যাগ করেন মুরাদ হাসান। একইদিন তাকে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য
ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদকের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। মাহির সঙ্গে অডিও ফাঁস ছাড়াও
তিনি তার আগে বিভিন্ন বিষয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন। ওই অডিওতে মাহিকে ডা. মুরাদ নানা
আপত্তিকর কথা বলছেন বলে শোনা যায়।

