
আগের ম্যাচে ইকুয়েডয়ের বিপক্ষে
এগিয়ে গিয়েও ড্র করেছিল ব্রাজিল। কোচ তিতের দল আজ সেই ড্রয়ের দুঃখ ভুললো প্যারাগুয়েকে
উড়িয়ে দিয়ে। দারুণ আক্রমনাত্মক ফুটবলের প্রদর্শনী সাজিয়ে দিয়ে জিতল ৪-০ গোলে।
বেলো হরিজন্তেতে নিজেদের
মাঠ মিনেইরাওতে ব্রাজিলের শুরুটা হয়েছিল প্রত্যাশিত ঢঙেই। বিশেষত ডান প্রান্ত দিয়ে
রীতিমতো আগুন ঝরাচ্ছিলেন উইঙ্গার রাফিনিয়া। ৬ মিনিটেই বল জড়িয়েছিলেন জালে। যদিও ভিএআরে
দেখা যায়, বলটা আয়ত্বে আনার আগে হাতে লেগে গিয়েছিল তার। তাতে শুরুতেই গোলের দেখা পেতে
পেতেও পায়নি ব্রাজিল।
তবে তাকে গোলের জন্য অপেক্ষা
করতে হয়নি খুব একটা। ২৮ মিনিটে প্যারাগুয়ে রক্ষণকে রীতিমতো নাকানিচুবানি খাইয়ে গোলটা
করেন তিনি। বক্সের ডান প্রান্ত দিয়ে ঢুকে তিন ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়ে বল জালে জড়ান
তিনি। সেই এক গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে গিয়েছে ব্রাজিল।
বিরতির পরেও আধিপত্যটা ধরে
রেখেছিল ব্রাজিল। ৫৫ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগও চলে এসেছিল দলটির সামনে। তবে
নেইমারের দশ নম্বর জার্সি পরে খেলতে নামা লুকাস পাকেতা গোলরক্ষককে সে যাত্রায় একা পেয়েও
গোলের দেখা পাননি।
দ্বিতীয় গোলের জন্য অবশ্য
ব্রাজিলকে খুব বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি। ৬২ মিনিটে দুর্দান্ত এক গোলই করে বসেন ফেলিপে
কৌতিনিও। প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে শট করেন তিনি, প্যারাগুয়ে গোলরক্ষক তার নাগালই পাননি।
ফলে ব্রাজিল এগিয়ে যায় ২-০ গোলে।
৮৬ মিনিটে ব্রাজিলের তৃতীয়
গোলটাও হয়েছে দেখার মতোই। ডান প্রান্ত থেকে অ্যান্তোনিও প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে
বাঁকানো শট নেন দূরের পোস্টে। সেটি গোলরক্ষকে ফাঁকি দিয়ে গিয়ে আছড়ে পড়ে জালে।
শুরুর তিনটি গোলে যদি থাকে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের ঝলক, তাহলে শেষটায় ছিল দলগত চেষ্টার ছাপ। অন্তিম সময়ে আবারও প্রতিপক্ষ বক্সে বল পেয়ে গিয়েছিল ব্রাজিল। আগের গোলদাতা অ্যান্তোনিও সঙ্গে সঙ্গে বলটা বাড়ান বক্সে, সেখানে থাকা ব্রুনো গিমারেস এগিয়ে আসতে থাকা গোলরক্ষককে বোকা বানিয়ে বলটা স্কয়ার করেন গোলমুখে থাকা রদ্রিগোর উদ্দেশে। সেখান থেকে গোল করতে কোনো সমস্যাই হয়নি রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ডের। তাতেই ৪-০ গোলের বিশাল এক জয় তুলে নেয় ব্রাজিল।

