
পাঁচ বছর আগে খরস্রোতা পায়রা নদীর উপর সেতু চেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে চিঠি লিখেছিলেন চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র শীর্ষেন্দু বিশ্বাস। চিঠির উত্তর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তাকে আশ্বস্ত করেছিলেন সেতু নির্মাণের। অবশেষে সেই সেতু নির্মাণে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। কচুয়া-বেতাগী-পটুয়াখালী-লোয়ালিয়া-কালাইয়া সড়কে সেই পায়রা নদীর উপর সেতু নির্মাণে বাংলাদেশ-কোরিয়ার মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ মার্চ) রাজধানীর সেতু ভবনে কোরিয়ান সামহোয়ান করপোরেশন এবং বাংলাদেশের মীর আখতার জয়েন্ট ভেনচারের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
রাজধানীর সেতু ভবনে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এসময় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ২০২৫ সালের মধ্যে সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
পটুয়াখালী সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র শীর্ষেন্দু বিশ্বাস প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে চিঠি লিখেছিল। সেই চিঠির জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী।
সেই প্রসঙ্গ টেনে ওবায়দুল কাদের বলেন, পটুয়াখালীর চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র শীর্ষেন্দু বিশ্বাস পায়রা নদীর উপর সেতু নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে চিঠির মাধ্যমে আবেদন করেন এবং তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা, বাঙালির আস্থার প্রতীক এ শিশুটির আবেদনে সাড়া দেওয়ার মাধ্যমে সেটি আবারও প্রমাণিত হলো, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
প্রসঙ্গত, প্রায় সতেরশ মিটার দীর্ঘ এই সেতু নির্মাণে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৪২ কোটি টাকা।

