Logo
শিরোনাম

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ১৯ নির্দেশনা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৫ নভেম্বর ২০২৩ | ১৫৩০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদের প্রথম ধাপের পরীক্ষা আগামী ২২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপে ২২ জেলায় অনুষ্ঠিত হবে এ পরীক্ষা। পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

সোমবার (১৮ এপ্রিল) রাতে অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কতা জারি করা হয়।

এতে বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হয়। কেউ অর্থের বিনিময়ে চাকরির প্রলোভন দেখালে তাকে নিকটস্থ থানায় সোপর্দ করুন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপের পরীক্ষা আগামী শুক্রবার আবেদনকারীদের নিজ নিজ জেলায় বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা হবে আগামী ২০ মে এবং তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা আগামী ৩ জুন।

পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৯ নির্দেশনাগুলো হলো-

১. লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য প্রবেশপত্র ও জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে আনতে হবে।

২. পরীক্ষা শুরু হওয়ার এক ঘণ্টা পূর্বে প্রার্থীকে নির্ধারিত আসন গ্রহণ করতে হবে ও পরীক্ষা সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত কক্ষ ত্যাগ করতে পারবেন না।

৩. প্রবেশপত্র ছাড়া কোনো পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না। পরীক্ষা কেন্দ্রে কোনো বই, উত্তরপত্র, নোট বা অন্য কোনো কাগজপত্র, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন, ভ্যানিটিব্যাগ, পার্স, হাতঘড়ি ও যে কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস সঙ্গে নিয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। যদি কোনো পরীক্ষার্থী উল্লিখিত দ্রব্যাদি সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করেন, তাহলে তাকে তাৎক্ষণিক বহিষ্কারসহ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৪. পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা কক্ষে অবস্থানকালে অবশ্যই উভয় কান উন্মুক্ত রাখতে হবে।

৫. আবেদনপত্রে পরীক্ষার্থীর প্রদত্ত ছবি হাজিরা শীটে থাকবে ও ইনভিজিলেটর এই ছবি দিয়ে পরীক্ষার্থীকে যাচাই করবেন। ভুয়া পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৬. আবেদনপত্রে প্রার্থীর দেওয়া সইয়ের সঙ্গে পরীক্ষার হাজিরা শিটে ও ওএমআর শিটে দেওয়া সইসহ সব তথ্যে মিল থাকতে হবে।

৭. পরীক্ষার্থীকে উত্তরপত্রে অবশ্যই কালো বলপয়েন্ট কলম ব্যবহার করতে হবে।

৮. একজন পরীক্ষার্থীর জন্য এএমআার ফরমের সেট কোড পূর্বনির্ধারিত থাকবে, পরীক্ষার্থীর জন্য নির্ধারিত ওএমআর ফরমের সেট কোডটি এ প্রবেশপত্রে উল্লেখ করা আছে।

৯. পরীক্ষার হলে যে ওএমআর ফরমটি দেওয়া হবে, সেখানে সেট কোডের ঘরে প্রবেশপত্রে উল্লিখিত কোডটির বিপরীতে বৃত্ত ভরাট করতে হবে।

১০. পরীক্ষায় প্রশ্নপত্রের সেট কোডসমূহ ও ওএমআর ফরমের সেট কোড ভিন্ন হবে। পরীক্ষার্থীর ওএমআার সেট কোডের বিপরীতে কোনো সেট কোডের প্রশ্ন পাবেন তা পরীক্ষা শুরু হওয়ার পাঁচ মিনিট আগে কক্ষ পরিদর্শক জানিয়ে দেবেন। পরীক্ষার্থী সঠিক কোডের প্রশ্নটি পেলেন কি না তা নিয়ে নিশ্চিত হবেন।

১১. প্রবেশপত্রে নির্ধারিত এমআরর সেট কোড ব্যতীত অন্য সেট কোডে পরীক্ষা দিলে উত্তরটি বাতিল বলে গণ্য হবে।

১২. রোল বা সেট কোডের বৃত্ত পূরণে কোনো ভুল হলে উত্তরপত্রটি বাতিল বলে গণ্য হবে।

১৩. হাজিরা শিটের সঠিক স্থানে পরীক্ষার্থীকে সই করতে হবে ও হাজিরা বৃদ্ধটি পূরণ করতে হবে। তা না হলে উত্তরপত্রটি বাতিল বলে গণ্য হবে।

১৪. ওএমআর ফরমের উপরিভাগের নির্ধারিত সব টেক্সটবক্স নির্দেশনা অনুযায়ী পূরণ করতে হবে, অন্যথায় উদ্ভবপরটি বাতিল বলে গণ্য হবে।

১৫. পরীক্ষা কেন্দ্রের ভেতরে আপনার আসন কোন কক্ষে তার তালিকা টানিয়ে দেওয়া হবে।

১৬. লিখিত পরীক্ষায় বা মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ চাকরির নিশ্চয়তা প্রদান করে না।

১৭. চূড়ান্ত ফলাফলে প্রতিটি উপজেলা/শিক্ষা থানার জন্য নিয়োগযোগ্য মেধাতালিকা ব্যতীত কোনো অপেক্ষমান তালিকা/প্যানেল প্রস্তুত করা হবে না।

১৮. লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর প্রকাশ করা হবে না।

১৯. পরীক্ষা সব তথ্যাদি অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।


আরও খবর