
ডারবানের উইকেট-কন্ডিশন নিয়ে ভালোই ধারণা দিয়েছিলেন বোলিং কোচ অ্যালান ডোনাল্ড। তার পরামর্শ অনুযায়ী এগোতে পারেনি বাংলাদেশ। পোর্ট এলিজাবেথে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্ট নিয়েও ধারণা দিলেন প্রোটিয়া কিংবদন্তি। তার মতে, দ্বিতীয় টেস্টে উইকেট-কন্ডিশন দুই জায়গায়ই চ্যালেঞ্জ আছে। ভালো করার সুযোগও আছে।
উইকেট নিয়ে বাংলাদেশ দলের পেস বোলিং কোচ বলেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকার ঐতিহ্যবাহী মাঠগুলোর একটি এটি। আমি এখানে অনেক খেলেছি। দর্শক হয়, উন্মাদনা হয়। এটা এমন উইকেট আপনি বোলার বা ব্যাটার হিসেবে ম্যাচ থেকে ছিটকেও যাবেন না, ম্যাচের নিয়ন্ত্রণও পাবেন না। বোলার হিসেবে আপনাকে সৃজনশীল হতে হবে। সময় গড়াতেই উইকেট ফ্লাট হতে শুরু করবে। সেজন্য হাতে নতুন কিছু রাখতে হবে।’
ডারবান টেস্টে বাংলাদেশ দল বড় ব্যবধানে হারলেও পেসাররা ভালো বোলিং করেছেন। জুটি গড়ে বোলিং করতে পেরেছেন এবাদত-খালেদরা। পেস বোলিং কোচ হিসেবে ডোনাল্ড গর্বিত বলে উল্লেখ করেন। দ্বিতীয় টেস্টের উইকেটে তেমন কিছু না থাকলেও চেষ্টা নিয়ে বোলিং করে গেলে ভালো কিছু সম্ভব বলে মনে করছেন টাইগার বোলিং কোচ। এছাড়া তিনি জানান, বল রিভার্স সুইং শুরু হলে তার সুবিধা নিতে হবে।
পোর্ট এলিজাবেথে বাতাসের অনুকূলে এবং প্রতিকূলে বোলিং করাও চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেন অভিজ্ঞ কোচ ডোনাল্ড। শুক্রবার শুরু হওয়া টেস্টের আগে উঁচুতে ওঠা ক্যাচ ধরা নিয়েও সতর্ক হওয়ার কথা বললেন তিনি, ‘পোর্ট এলিজাবেথের বাতাসের সঙ্গে লড়তে হবে। সাড়ে ১২টা থেকে দুটোর দিকে বাতাস শুরু হবে। বিকেলের দিকে ৪০-৪৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হবে। মনে হবে যে, বাতাস সুড়ঙ্গ ধরে আসছে এবং ঘুরছে। বোলারদের একবার মনে হবে বাতাস পক্ষে, একবার মনে হবে বিপক্ষে।’
ক্যাচ-ফিল্ডিংয়ের চ্যালেঞ্জ নিয়ে ডোনাল্ড বলেন, ‘আমাদের ফিল্ডিং নিয়ে অনেক কথা বলতে হবে, কাজ করতে হবে। উঁচুর ক্যাচ ধরতে দ্রুত পজিশনে যেতে হবে। উঁচুর ক্যাচ ধরা এখানে দক্ষতার ব্যাপার। আমাদের অনেক পাক খেয়ে আসা ক্যাচ ধরতে হতে পারে।’ আগামী শুক্রবার বাংলাদেশ সময় ২টায় দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট খেলতে বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা মুখোমুখি হবে। সেইন্ট জর্জ পার্কে বাংলাদেশ দল লেগে থাকলে ভালো ফল পাবে বলে আশা ডোনাল্ডের।

