Logo
শিরোনাম

পিকে হালদারসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে সাত মামলা অনুমোদন

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৫ নভেম্বর ২০২৩ | ১৮৩৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বোর্ডের সদস্যরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া ও কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামে জাল রেকর্ডপত্র তৈরি করেন আসামিরা

ব্যাংক ও আর্থিক খাত থেকে হাজার কোটি টাকা লোপাট করে বিদেশে পলাতক পিকে হালদার (প্রশান্ত কুমার হালদার) ও তার ২৯ সহযোগীর বিরুদ্ধে আরও ৩২০ কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পৃথক সাতটি মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়।  সংস্থাটির জনসংযোগ সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

জানা যায়, ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ হাশেম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রাশেদুলসহ ২৯ জনকে মামলাগুলোতে আসামি করা হয়েছে।

মামলার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বোর্ডের সদস্যরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া ও কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামে জাল রেকর্ডপত্র তৈরি করেন আসামিরা।

তারা অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের মালিকদের ঋণ পেতে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেছেন এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে প্রায় ৩২০ কোটি টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে।

আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০ সালের ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ১০৯ ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে পৃথক সাতটি মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

গত ১০ নভেম্বর ৪২৬ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পি কে হালদারসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দেয় দুদক।  অনুমোদিত চার্জশিটে আরও রয়েছেন, পি কে হালদারের মা লীলাবতী হালদার, বান্ধবী অবন্তিকা বড়াল, শংখ বেপারী, সুকুমার মৃধা, অনিন্দিতা মৃধা, পূর্ণিমা রানী হালদার, উত্তম কুমার মিস্ত্রি, অমিতাভ অধিকারী, প্রিতিশ কুমার হালদার, রাজিব সোম, সুব্রত দাস, অনঙ্গ মোহন রায় ও স্বপন কুমার মিস্ত্রি।

২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি প্রায় ২৭৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পিকে হালদারের বিরুদ্ধে দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করেন সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী। এখন চার্জশিটে আসামির সংখ্যা আরও যুক্ত হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পিকে হালদার বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২৭৪ কোটি ৯১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৫৫ টাকার অবৈধ সম্পদ নিজ দখলে রেখেছেন। যা দুদক আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ওই অপরাধলব্ধ আয়ের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি, অবস্থান, মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ, উৎস গোপন বা আড়াল করতে স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তর করে মানিলন্ডারিং সংক্রান্ত অপরাধ করেছেন।

ক্যাসিনো অভিযানের ধারাবাহিকতায় পি কে হালদারের বিরুদ্ধে প্রায় তিন হাজার ৬০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ ওঠে। দুর্নীতির সংশ্লিষ্টতায় এ পর্যন্ত ৮৩ ব্যক্তির প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার সম্পদ আদালতের মাধ্যমে ফ্রিজ করেছে দুদক।

নিউজ ট্যাগ: পিকে হালদার

আরও খবর