
বাংলাদেশ থেকে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পালানো পি কে হালদার এবং তার পাঁচ সহযোগীদের মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১০ আগস্ট নির্ধারণ করা হয়েছে।
শুক্রবার ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (সিবিআই) তিন নম্বর আদালতে বিচারপতি জীবনকুমার সাধুর এজলাসে এ আদেশ দেওয়া হয়।
পি কে হালদার এবং তার পাঁচ সহযোগীদের গ্রেফতারের পরে দুই মাস আজ শুক্রবার পূর্ণ হচ্ছে। তাই তাদের আজ আদালতে তোলা হয়।
১১ জুলাই ২০০২ সালের আইনবহির্ভূতভাবে অর্থ আনার (প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট, ২০০২)–এর দুই এবং তিন ধারায় তাঁদের হালদার এবং তাঁর সহযোগীদের নামে অভিযোগ গঠন করা হয়। তবে সেই অভিযোগপত্রে কী আছে, তা এখনো পর্যন্ত খুব স্পষ্ট নয়।
পি কে হালদার এবং তার সহযোগীদের নামে ১৯৮৮ সালের দুর্নীতি দমন আইন এবং ২০০২-এর প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করা হয়।
গত ১৪ মে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা থেকে পি কে হালদারকে গ্রেফতার করে ভারতের আর্থিক দুর্নীতিসংক্রান্ত তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সে সময় পি কে হালদারের পাঁচ সহযোগীকেও গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের আগে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে পি কে হালদারের প্রাসাদসম বাড়িসহ অনেক সম্পদের সন্ধান পায় ইডি।
গত ৭ জুন ইডি আদালতকে জানায়, পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের বিভিন্ন এলাকায় পি কে হালদারসহ তার সহযোগীদের ৮৮টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সন্ধান পেয়েছে তারা। পি কে হালদার ও তার সহযোগীদের ৩০০ কোটি টাকার সম্পদ পাওয়ার কথাও আদালতকে জানিয়েছে ইডি।

