
এ বছর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও ইতালির তিন বিজ্ঞানী। তারা হচ্ছেন সিউকুরো মানাবে, ক্লাউস হ্যাসেলমেন এবং জর্জিও প্যারিসি। মঙ্গলবার সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে এক অনুষ্ঠানে তাদের নাম ঘোষণা করে নোবেল কমিটি। জটিল শারীরিক ব্যবস্থা সম্পর্কে আমাদের বোঝার ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
এবারের বিজয়ীদের মধ্যে সিউকুরো মানাবে
১৯৩১ সালের ২১ সেপ্টেম্বর জাপানে জন্মগ্রহণ করেন। ক্লাউস হ্যাসেলমেনের জন্ম ১৯৩১ সালের
২৫ অক্টোবর জার্মানির হামবুর্গে। ১৯৪৮ সালের ৪ আগস্ট ইতালি রোমে জন্মগ্রহণ করেন জর্জিও
প্যারিসি।
সোমবার ২০২১ সালের নোবেল পুরস্কার প্রদান
শুরু হয়। এদিন তাপমাত্রা ও স্পর্শের রিসেপ্টর আবিষ্কারের জন্য যৌথভাবে দুই জনকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে
নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। তারা হচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের ডেভিড জুলিয়াস এবং লেবাননের
আর্ডেম প্যাটাপৌসিয়ান। ডেভিড জুলিয়াস চিকিৎসা শাস্ত্রের শরীরতত্ত্ব এবং আর্ডেম প্যাটাপৌসিয়ান
মেডিসিনের ওপর এই পুরস্কার পান। তারা তাপমাত্রা এবং স্পর্শের রিসিপটর আবিষ্কারে অনন্য
ভূমিকা রেখেছেন।
এবার আগামী ১১ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন
ক্ষেত্রে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।
১৮৯৫ সালের নভেম্বর মাসে আলফ্রেড নোবেল নিজের মোট উপার্জনের ৯৪ শতাংশ (৩ কোটি সুইডিশ ক্রোনার) দিয়ে তার উইলের মাধ্যমে নোবেল পুরস্কার প্রবর্তন করেন। এই বিপুল অর্থ দিয়েই শুরু হয় পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞান, সাহিত্য ও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান। ১৯৬৮-তে তালিকায় যুক্ত হয় অর্থনীতি। পুরস্কার ঘোষণার আগেই মৃত্যুবরণ করেছিলেন আলফ্রেড নোবেল। আইনসভার অনুমোদন শেষে তার উইল অনুযায়ী নোবেল ফাউন্ডেশন গঠিত হয়। তাদের ওপর দায়িত্ব বর্তায় আলফ্রেড নোবেলের রেখে যাওয়া অর্থের সার্বিক তত্ত্বাবধান করা এবং নোবেল পুরস্কারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা করা। বিজয়ী নির্বাচনের দায়িত্ব সুইডিশ একাডেমি আর নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটিকে ভাগ করে দেওয়া হয়।

