Logo
শিরোনাম

অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ জানুয়ারি ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৫ নভেম্বর ২০২৩ | ২৩৭৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে করা অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের দুটি মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় সাহেদকে সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির করা হয়। বিচারক শেখ মফিজুর রহমানের কাছে কথা বলার অনুমতি চান সাহেদ। অনুমতি পাওয়ার পর সাহেদ নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, আমাকে ঢাকা থেকে ধরে এনে সাতক্ষীরায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। শুনানি শেষে তাকে আবারও সাতক্ষীরা কারাগারে নেওয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরা আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবু বক্কর সিদ্দিকী এসব তথ‌্য নিশ্চিত করেছেন।

সাহেদ করিমের ওই দুই মামলায় আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষ‌্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে। এ দুটি মামলার তিনি একমাত্র আসামি।

উল্লেখ্য, গত ১৫ জুলাই ভোরে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার শাখরা কোমরপুর এলাকা দিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টা করেন সাহেদ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে কোমরপুর বেইলি ব্রিজের নিচ থেকে আটক করেন র‌্যাব-৬ এর সদস্যরা। এ সময় তার কাছে থাকা একটি অবৈধ পিস্তল, ৩ রাউন্ড গুলি, ২ হাজার ৩৩০ ভারতীয় রুপি, তিনটি ব্যাংকের এটিএম কার্ড ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। সকালে সাতক্ষীরায় এনে হেলিকপ্টারে করে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়।

রাতে র‌্যাবের ডিএডি নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে সাহেদ ও জনৈক বাচ্চু মাঝিকে আসামি করে একটি মামলা করেন। প্রথমে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন দেবহাটা থানার ওসি উজ্জল কুমার মৈত্র। দুই দিন পর র‌্যাবের এসআই রেজাউল করিম তদন্ত কর্মকর্তা নিযুক্ত হয়ে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। রিমান্ড শেষে ওই বছরের ২৪ আগস্ট শুধু সাহেদকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তিনি।


আরও খবর