Logo
শিরোনাম
এমসিসিআইর পর্যবেক্ষণ

অর্থনীতিতে পুনরুদ্ধারের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৫ নভেম্বর ২০২৩ | ১১০৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিশ্বের অন্য অনেক দেশের মতো বাংলাদেশও এখনও করোনার প্রভাব থেকে মুক্ত হতে পারেনি। এর মধ্যে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ফের চাপের মুখে পড়েছে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি। তারপরও করোনার ক্ষতি থেকে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে এই পুনরুদ্ধারে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে রপ্তানি আয়। রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক, চামড়া, প্লাস্টিক ও পাট শিল্প এবং অভ্যন্তরীণ বাজারনির্ভর ইস্পাত, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং পরিবহন খাত এখন পুরোদমে কাজ করছে। প্রকাশিত এক প্রতিবেদেন এমন পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই), ঢাকা। 'বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা' শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিক অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্নেষণ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনার কারণে অর্থনৈতিক বিপর্যয় মোকাবিলায় সরকার দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। এসব উদ্যোগ দ্রুত ও শক্তিশালী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য সহায়ক ছিল। কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এই পুনরুদ্ধার বাধাগ্রস্ত করেছে। এই যুদ্ধের প্রভাবে পণ্যমূল্য বাড়ছে। যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক পর্যায়ে চাহিদা ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্নিত হওয়ায় শুধু বাংলাদেশ নয়, অনেক দেশই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে, রেমিট্যান্স কমেছে এবং চলতি হিসাবের ঘাটতি বেড়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও অনেকটা কমে গেছে।

ডলারের উচ্চদর, আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়া, চলতি হিসাবের ঋণাত্মক ভারসাম্য, দুর্বল রেমিট্যান্স প্রবাহ ও বৈদেশি মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়ার কারণে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি এখন চাপের মুখে রয়েছে বলে মন্তব্য করা হয়েছে এমসিসিআইর ওই প্রতিবেদনে। অর্থনীতির বর্তমান এই চাপ সামলাতে কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে এমসিসিসিআই। এসব পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে- বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখা, মূল্যস্ফীতি ব্যবস্থাপনা, রাজস্ব আদায় বাড়ানো, বিদ্যুৎ ও গ্যাসে সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং সামাজিক সুরক্ষা বাড়ানো।

এমসিসিআইর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে করোনার ক্ষতি থেকে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের কিছু লক্ষণ থাকলেও, ওই সময়ে আমদানি ও রেমিট্যান্স কমে গেছে। অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে যার বহুমুখী প্রভাব রয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কোনোভাবে একটা সন্তোষজনক পর্যায়ে থাকলেও এটা এখন কমছে। অন্যদিকে গত আগস্ট মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে পৌঁছেছে ৯ দশমিক ৫২ শতাংশে। যদিও সেপ্টেম্বরে তা কিছুটা কমে ৯ দশমিক ১০ শতাংশ হয়েছে। মুদ্রার বিনিময় হার বেশ কিছুদিন স্থিতিশীল থাকার পর সেপ্টেম্বরে ডলারের বিপরীতে কমেছে টাকার মান।

নিউজ ট্যাগ: এমসিসিআই

আরও খবর

বাড়ল এলপি গ্যাসের দাম

সোমবার ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৪