Logo
শিরোনাম

নায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা: আসামি আশিষের বাসা ঘিরে রেখেছে র‌্যাব

প্রকাশিত:বুধবার ০৬ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ অক্টোবর ২০২৩ | ১০৫৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলার চার্জশিট ভুক্ত আসামি আশিষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরীর বাসায় অভিযান চালাচ্ছে র‍্যাব। আজ মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর অভিযান শুরু হয় বলে জানিয়েছেন র‍্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

র‍্যবের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়, দীর্ঘ ২৪ বছর পূর্বের চাঞ্চল্যকর ও বহুল আলোচিত জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলার পলাতক ও চার্জশিটভুক্ত ১ নং আসামি আশিষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরীকে গ্রেপ্তারে গুলশানের একটি বাসা ঘিরে রাখা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর থেকেই গুলশান পিংক সিটির পেছনে ১০৭ নম্বর রোডের ফিরোজা গার্ডেন নামের একটি বাসায় অবস্থান নিতে শুরু করেন র‍্যাব সদস্যরা। পরে বাসায় তল্লাশী শুরু হয়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাসার সামনে র‍্যাবের সদস্যরা ঘিরে রেখেছিলেন। অভিযোগপত্র দাখিলের পর উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর আর কোনোদিন হাজিরা দেননি আশিষ রায় চৌধুরী।

উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর বনানীর ট্রাম্পস ক্লাবের সামনে গুলি করে হত্যা করা হয় সোহেল চৌধুরীকে। ঘটনার পর সোহেলের ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী বাদী হয়ে গুলশান থানায় হত্যা মামলা করেন। ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল কাশেম ব্যাপারী ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ নয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। বিতর্কিত ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সঙ্গে বাদানুবাদই এ হত্যার নেপথ্য কারণ বলে মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।

এই মামলায় ২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন হয়। এরপর মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ২০০৩ সালে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এ পাঠানো হয়। মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো বেআইনি হয়েছে এই দাবি করে ওই আইনের দুটি ধারা চ্যালেঞ্জ করে আদনান সিদ্দিকী হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন (রিট নম্বর ৭০৫৩ / ২০০৩)। ওই রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২০০৩ সালের ১৯ নভেম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলা স্থানান্তরের আদেশ কেন বেআইনি হবে না তা জানাতে সরকারের প্রতি রুল জারি করেন। একই সঙ্গে তিন মাসের জন্য মামলার বিচার কার্যক্রম স্থগিত করেন। পরে ২০০৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন। সেই থেকে এই মামলার বিচার স্থগিত থাকে। কোনো স্বাক্ষীর স্বাক্ষই আর গ্রহণ করা হয়নি।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে নথি খুঁজে বের করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দেন। এরপর নথি গুম হওয়া নথি বের হয় এবং সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলা স্থগিত করা নিয়ে যে রিট আবেদন করা হয়েছিল সেই রুল খারিজের আদেশও দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পৌঁছে যায়। পরে গত ১০ মার্চ মামলার কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়।

নিউজ ট্যাগ: র‌্যাব অভিযান

আরও খবর