
দীর্ঘদিন ধরেই নানা শারীরিক অসুস্থতায়
ভুগছিলেন কিংবদন্তি এই ফুটবলার। সাড়ে তিন মাস ধরে তাঁকে প্রায় নিয়মিত ডায়ালিসিস করাতে
হচ্ছিল। তার মধ্যে তিন বছর আগে তাঁর হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছিল। সম্প্রতি
কিছু দিন ধরে বুকে সংক্রমণের জন্য ভর্তিও ছিলেন একবালপুরের এক বেসরকারি নার্সিংহোমে।
শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক ছিলই। শুক্রবার
তাঁর ভালো চিকিৎসার জন্য উদ্যোগী হয়েছিল বাংলার তিন প্রধান, আইএফএ। সঙ্গে ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী
অরুপ বিশ্বাসও। কিন্তু কাউকে কিছু করার সুযোগটাই দিলেন না। না ফেরার দেশে চলে গেলেন
সুভাষ ভৌমিক। শনিবার সকাল ৭.৪০ নাগাদ হাসপাতালের তরফে তাঁর মৃত্যুর খবর সরকারি ভাবে
ঘোষণা করা হয়।
জানা গিয়েছে, শনিবার ভোররাত সাড়ে তিনটে
নাগাদ তাঁর ম্যাসিভ হার্ট-অ্যাটাক হয়। তার পর আর সে ভাবে কিছুই করার ছিল না চিকিৎসকদের।
একবালপুর নার্সিংহোমের চিকিৎসক সিদ্ধার্থ পুরকায়স্থ বলেছেন, ‘সাড়ে তিনটে নাগাদ
তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। আমরা সঙ্গে সঙ্গে যাবতীয় ব্যবস্থা নিয়েছিলাম। কিন্তু
এর পর থেকেই তাঁর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে থাকে।’

