
পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য মতে, বিদেশি ঋণ পেমেন্টের কারণে রিজার্ভ ৫৯২ মিলিয়ন ডলার কমে তিন হাজার ৮৬ দশমিক দুই মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারির পর সর্বনিম্ন।
তাছাড়া এই রিজার্ভ দিয়ে মাত্র ১৮ দশমিক ৫ দিনের আমদানি খরচ মেটানো যাবে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়া এবং স্থানীয় মুদ্রার দরপতনে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে পাকিস্তান।
২০২১ সালের মার্চ মাসে ডলারের বিপরীতে পাকিস্তানি রুপির বিনিময় মূল্য ছিল ১৭৭, এখন আন্তব্যাংক পর্যায়ে তা ২২৬ রুপিতে উঠেছে। খোলাবাজারে প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য পড়ছে ২৬০ থেকে ২৭০ রুপি।
পাকিস্তানের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে (বেলআউট) আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) যেসব শর্ত দিয়েছে, তা ধারণাতীত বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তবে তিনি বলেছেন, ‘পাকিস্তান সরকারকে তা মেনে নিতে হবে।’ আজ শুক্রবার এসব কথা বলেন তিনি।
পাকিস্তানকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত বেঁধে দিয়েছে আইএমএফ। এসবের মধ্যে আছে কর বাড়ানো ও ভর্তুকি কমানো। তবে দেশটি শর্তগুলো মানতে রাজি হচ্ছে না। সরকারের আশঙ্কা, আগামী অক্টোবরের নির্বাচনকে সামনে রেখে এ ধরনের সিদ্ধান্ত জনগণের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে।
গভীর সংকটে পাকিস্তান, এমনকি গত কয়েক দশক ধরে সংস্থাটির সঙ্গে পাকিস্তানের ২৪টির বেশি চুক্তি শেষ অব্দি আলোর মুখ দেখেনি।

