
নব্বইয়ের দশকের আবেগ ফাল্গুনী পাঠক। ১৯৯৯ সালে মুক্তি পেয়েছিল এই গায়িকার ‘ম্যায়নে পায়েল হ্যায় ছনকাই’। সুপারহিট হয়েছিল গানটি। সেই গানই রিমেক করেছেন নেহা কক্কর। নাম দিয়েছেন ‘ও সাজনা’। নেহার গলায় এই গান মেনে নিতে পারছেন না বেশির ভাগ শ্রোতা। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিরূপ প্রতিক্রিয়াও দেখা যাচ্ছে।
অনেকের মতে, ওই গান গেয়ে নাকি আবেগ নিয়ে ছেলেখেলা করেছেন নেহা। একই ক্ষোভ ফাল্গুনীরও। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গানটি শোনার পর শুধু বমি করাই বাকি ছিল আমার। আমার গান আর ভিডিওটির মধ্যে যে সরলতা ছিল, তার পুরো দফারফা করে দিয়েছে এই গান। নেহার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে চাইলেও পারছেন না বলে জানান ফাল্গুনী। তিনি বলেন, যদি সম্ভব হতো হয়তো আইনি পথেই হাঁটতাম। কিন্তু গানের স্বত্ব আমার কাছে নেই। যখন গানটি তৈরি হয়, সে সময় এসবের গুরুত্ব বুঝিনি। এখন আফসোস হচ্ছে। সমালোচনার উত্তরে নেহার বক্তব্য, যাঁরা আমার সাফল্য ও সুখ দেখে অখুশি, তাঁদের জন্য কষ্ট হয়। কারণ, সবাই জানে, নেহা কক্কর আসলে কী।
সোশ্যাল মিডিয়ায় নেহা কক্কর ও ফাল্গুনী পাঠকের বিবাদ এখনো কাটেনি। এর মাঝেই এক মঞ্চে দেখা গেল দুজনকে। ইন্ডিয়ান আইডল ১৩-তে একসঙ্গে পারফর্ম করছেন নেহা কক্কর ও ফাল্গুনী পাঠক। সনি টেলিভিশন থেকে একটি নতুন প্রোমো লঞ্চ করা হয়েছে। সেখানেই নবরাত্রি স্পেশাল এপিসোডে নেহা-ফাল্গুনীর একসঙ্গে পারফর্মের কয়েক ঝলক রয়েছে। সেই প্রোমো দেখে বিস্মিত সবাই! এটা কি তাহলে পাবলিসিটি স্টান্ট? কেউ বলছেন, গানকে ফেমাস করতে এরা কত কী করে!

