
ফুটবলীয় কার্যক্রমে
তৃতীয় পক্ষের প্রভাব খাটানোর প্রমাণ মেলায় অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনকে (এআইএফএফ) অনির্দিষ্টকালের
জন্য নিষিদ্ধ করেছে ফিফা। শঙ্কা আছে, ভারত অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের নিয়ন্ত্রণ কমিটি
অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটর্সের হাতে গেলে কপাল পুড়তে পারে দেশটির অ্যাথলেটদেরও। ফুটবলের
মতো নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে অলিম্পিকেও।
শঙ্কা এড়াতে ভারতীয়
অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন একটি মামলা নিয়ে কাজ করছে। গত পরশু ছিল সেই মামলার শুনানি। শুনানিতেই
বিচারপতি সিটি রবিকুমারকে নিয়ে গঠিত প্রধান বিচারপতি এনভি রামানার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ
এই আশঙ্কার কথা জানান।
ভারতীয় অলিম্পিক
অ্যাসোসিয়শনের দায়িত্ব তিন সদস্যের প্রশাসক কমিটির হাতে তুলে দিয়েছিলেন দিল্লি হাইকোর্ট।
এ নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিল অলিম্পিক সংস্থা। দিল্লি হাইকোর্টের
রায়ে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন ভারতের সর্বোচ্চ আদালতও।
অল ইন্ডিয়া ফুটবল
ফেডারেশনে (এআইএফএফ) তৃতীয় পক্ষের অনুচিত প্রভাবের প্রমাণ মেলায় গত ১৬ আগস্ট তাদের
নিষিদ্ধ করে ফিফা। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার ব্যুরো কাউন্সিল জানায়, এআইএফএফ
ফিফা সনদের পরিষ্কার লঙ্ঘন করেছে।
যদিও তিন মাস
আগে এআইএফএফের সংবিধান সংশোধন করে দ্রুত নির্বাচন করার জন্য ৩ সদস্যের কমিটি গড়ে দিয়েছিলেন
ভারতের সর্বোচ্চ আদালত। স্বশাসিত ক্রীড়া সংস্থায় তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ ফিফার আইন
বিরুদ্ধ। তাই এই কমিটির হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে কড়া সিদ্ধান্ত নেয় ফিফা।
ভারতের অলিম্পিক সংস্থাও একই পথে হাঁটলে তাদেরও নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হবে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি। সর্বশেষ টোকিও অলিম্পিকে এক সোনাসহ ৭টি পদক জিতেছিল ভারত।

