
অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন,
অনিয়মিত খাওয়াদাওয়া এবং আরও বিভিন্ন কারণে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ে। কোলেস্টেরল
বাড়লে একই সঙ্গে ঝুঁকি বাড়ে হৃদ্রোগের। ট্রু কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড, এইচডিএল,
এলডিএল— এই চারটি মিলেই মূলত তৈরি হয় কোলেস্টেরল
পরিবার। অনেকের ধারণা, চর্বি জাতীয় খাবার বেশি খেলেই কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়।
সব ক্ষেত্রে এ ধারণা ঠিক নয়। কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়বে কি না, তা নির্ভর করে প্রত্যেকের
শরীরের বিপাক হারের উপর। কারও যদি ডায়াবিটিস থাকে তা হলে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে
যাওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম কারণ হল কোলেস্টেরল। হৃদ্রোগের ঝুঁকি
কমাতে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন।
সম্প্রতি একটি
গবেষণা বলছে, রোজের খাদ্যাতালিকায় অ্যাভোকাডো রাখলে নিয়ন্ত্রণে থাকবে কোলেস্টেরল। এই
ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি। উচ্চ ফাইবারে সমৃদ্ধ অ্যাভোকাডো কোলেস্টেরলের মাত্রা
কমাতে সাহায্য করে। অ্যাভোকাডোতে রয়েছে ক্যারোটিনয়েডের মতো একাধিক খনিজ উপাদান। এ ছাড়াও
রয়েছে ভিটামিন সি এবং ই। গবেষণায় উঠে এসেছে, প্রতি দিন একটি করে অ্যাভোকাডো খাওয়ার
অভ্যাস অনেকাংশে হ্রাস পায় কোলেস্টেরলের সমস্যা। শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল এইচডিএল-এর
মাত্রা কমাতেও অ্যাভোকাডো পারদর্শী।
কোলেস্টেরল কমানোর
পাশাপাশি, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং হার্টের যত্ন নিতেও খেতে পারেন অ্যাভোকাডো। এই
ফলটি মূলত বিদেশের মাটিতেই ফলে। তবে এখন এ দেশেও পাওয়া যাচ্ছে। একটু খুঁজলেই ডিপার্টমেন্টাল
স্টোরগুলিতে পেয়ে যাবেন এই ফলটি। তা ছাড়া অনলাইনেও কিনতে পারেন অ্যাভোকাডো। এক কেজির
দাম প্রায় ১৮০-২০০ টাকা।
কখন এবং কী ভাবে খাবেন?
সকালে নান্তার
পর অ্যাভোকাডো খেতে পারেন। গ্রিন স্যালাড কিংবা চিকেন স্যালাডের সঙ্গেও খেতে পারেন
এটি।

