
রেলপথে ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিন আজ। স্বজনদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানী ছাড়ছে মানুষ। সকাল থেকেই ঢাকার কমলাপুর স্টেশনে ঈদে ঘরমুখো মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। বুধবার (৬ জুলাই) সকালে কমলাপুর স্টেশনে দেখা গেছে প্রতিটি ট্রেনই যাত্রীতে পরিপূর্ণ ছিল।
রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বুধবার সকালে
রংপুর এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময় থেকে ৫০ মিনিট বিলম্বে ছেড়ে গেলেও অধিকাংশ ট্রেন সময়মতো
ছেড়ে গেছে। নির্ধারিত সময়ে ট্রেন ছেড়ে যাওয়ায় খুশি ঘরমুখো যাত্রীরা।
ঢাকা রাজশাহী, সিলেট, চট্টগ্রাম, কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহ রুটের অধিকাংশই ট্রেনই সময়মতো ছেড়ে গেছে। ‘কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেসের’ কয়েকজন যাত্রী জানান, অনেক চেষ্টা করে টিকিট ম্যানেজ করেছি। এখন সময়মতো ট্রেন ছেড়ে যাওয়ায় অনেক ভালো লাগছে।
কমলাপুর রেল স্টেশনের ব্যবস্থাপক মাসুদ
সারওয়ার জানিয়েছেন, ট্রেনগুলো যেন সময় মতো স্টেশন ছেড়ে যায় সে জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি
নেওয়া আছে।শিডিউল বিপর্যয় ঠেকাতে বিমানবন্দর স্টেশনে ঢাকামুখী কয়েকটি ট্রেনের যাত্রাবিরতি
বাতিল করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ৬ জুলাই থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত
উত্তরাঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা ৭টি ট্রেন বিমানবন্দর স্টেশনে না থামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া
হয়েছে। ঢাকামুখী একতা, দ্রুতযান, পঞ্চগড়, নীলসাগর, কুড়িগ্রাম, লালমনি ও রংপুর এক্সপ্রেস
বিমানবন্দর স্টেশনে থামবে না। তবে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনগুলো বিমানবন্দর স্টেশনে
যথারীতি থামবে। এ ছাড়া ৬ থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত মিতালি এক্সপ্রেস এবং ৭ থেকে ১৪ জুলাই
পর্যন্ত মৈত্রী এক্সপ্রেস ও বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করবে না।

