Logo
শিরোনাম

খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে ১ হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৮ মার্চ ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১১ নভেম্বর ২০২৩ | ১৯০৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা এক লাখ ৭০ হাজার দরিদ্র মানুষের আয় বাড়াতে বাংলাদেশকে ১২ কোটি ডলার (প্রায় এক হাজার ৩০ কোটি টাকা) ঋণ দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক। ক্লাইমেট-স্মার্ট এগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজম্যান্ট প্রজেক্ট শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশকে এই পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হবে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিবৃতিতে বিশ্ব ব্যাংক জানিয়েছে, এই ঋণের মূল লক্ষ্য হবে- সেচ নির্ভর কৃষি খাত ও মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা বিপুল জনগোষ্ঠীর আয় বাড়ানো।

বিশ্ব ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর দানদান চেইন ওই বিবৃতি খাদ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের অর্জনের কথা উল্লেখ করে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকির কথা তুলে ধরেন। বলেন, কৃষিখাতে বাংলাদেশের সফলতার শেকড় অনেক গভীরে। বড় একটি জনসংখ্যা এবং আবাদি জমির স্বল্পতার মধ্যে দেশটির খাদ্য উৎপাদন এমন মাত্রায় রয়েছে, যা বড় একটি অর্জন। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ বেড়ে যাওয়ার কারণে খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মধ্যে পড়েছে।

বিবৃতিতে বিশ্ব ব্যাংকের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, প্রকল্পটি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে উন্নত বন্যা ব্যবস্থাপনা, সেচ এবং নালা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে খাদ্যশস্য এবং মৎস্য সম্পদের সুরক্ষা দিয়ে বাংলাদেশকে টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে সহায়তা করবে।’ এ ক্ষেত্রে বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানি ও বর্ষা পরবর্তী সময়ে পানি স্বল্পতা নিয়ন্ত্রণে প্রকল্পটিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেন তিনি।

এতে আরও বলা হয়, প্রকল্পটির মাধ্যমে দরিদ্র ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা সমূহে ১৯টি বন্যা ব্যবস্থাপনা ছাড়াও সেচ ও নিষ্কাশন পরিকল্পনাকে আবারও সচল করা হবে। সেই সঙ্গে ক্লাইমেট-স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি, ফসলের বৈচিত্র্য ও ফসল তোলার পর সে সবের ব্যবস্থাপনা নিয়ে এক লাখ কৃষককে প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে। পাশাপাশি ধান, মাছ ও চিংড়ি চাষ ছাড়াও সংরক্ষণের জন্য হিমাগার তৈরি করা হবে এবং স্থানীয় বাজারের উন্নয়নের চেষ্টা করা হবে প্রকল্পটির মাধ্যমে।

বিশ্ব ব্যাংকের হিসাবে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশে মাছের উৎপাদন প্রায় ৩৭ শতাংশ, সবজি ১০ শতাংশ ও চালের উৎপাদন ৭ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

ক্লাইমেট-স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি, ফসলের বৈচিত্র্য এবং ফসল তোলার পর সেসবের ব্যবস্থাপনা নিয়ে এক লাখ কৃষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এছাড়া ধান, মাছ ও চিংড়ি চাষ এবং সংরক্ষণের জন্য হিমাগার তৈরি করা হবে এবং স্থানীয় বাজারের উন্নয়নের চেষ্টা করা হবে। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে মাছের উৎপাদন প্রায় ৩৭ শতাংশ, সবজি ১০ শতাংশ এবং চালের উৎপাদন ৭ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়বে। বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন থেকে নেওয়া এই ঋণ ৫ বছরের রেয়াতসহ ৩৫ বছরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

এজন্য রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে মঙ্গলবার চুক্তি সই হয়েছে। ইআরডি সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন ও বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর ড্যান ড্যান চেন এতে সই করেন।

নিউজ ট্যাগ: বিশ্বব্যাংক

আরও খবর

বাড়ল এলপি গ্যাসের দাম

সোমবার ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৪