
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের জন্য কানেক্টিং ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় নেদারল্যান্ডস সিরিজের সূচিতে পরিবর্তন এনেছে নিউজিল্যান্ড। ক্যারিবিয়ানে সফরের ক্ষেত্রে বিষয়টি জটিলতা তৈরি করায় এমনটা করতে বাধ্যই হয়েছে তারা। ফলে নির্ধারিত সূচির একদিন আগে দ্য হেগে ৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে নেদারল্যান্ডস-নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি। দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডই এই সিদ্ধান্তে সম্মত হয়েছে। অবশ্য এই সিদ্ধান্তের ফলে ব্যাক টু ব্যাক (৪ ও ৫ আগস্ট) দুটি টি-টোয়েন্টি খেলবে দুই দল।
ইউরোপে লম্বা সফরে রয়েছে নিউজিল্যান্ড। মে মাসে ইংল্যান্ড সফর দিয়ে যার শুরু। তার পর আয়ারল্যান্ডে তিন ওয়ানডের পর এখন চলছে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। প্রথম ম্যাচে আইরিশদের ৩১ রানে হারিয়ে ১-০ তে এগিয়েও গেছে কিউইরা। শুরুতে টস হেরে গ্লেন ফিলিপসের ৫২ বলে করা ৬৯ রানে ৮ উইকেটে ১৭৩ রানের সংগ্রহ পায় নিউজিল্যান্ড। জবাবে লকি ফার্গুসনের আগুনে বোলিং ১৮.২ ওভারে ১৪২ রানে গুটিয়ে দেয় আইরিশদের। ফার্গুসন ১৪ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন। ম্যাচসেরা ছিলেন ফিলিপস। আইরিশদের বিপক্ষে সিরিজ শেষে এর পর তারা উড়ে যাবে স্কটল্যান্ড। সেখানে দুটি টি-টোয়েন্টি খেলার পর একটি ওয়ানডে খেলবে। তার পর যাবে নেদারল্যান্ডস।
অবশ্য নেদারল্যান্ডসে ম্যাচ এগিয়ে এনেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম টি-টোয়েন্টির আগে মাত্র ৪ দিনের গ্যাপ পাবে নিউজিল্যান্ড। ক্যারিবিয়ানে তিনটি টি-টোয়েন্টির সঙ্গে খেলবে ৩টি ওয়ানডেও। এই সফর লম্বা হওয়াতেই নিউজিল্যান্ড রোটেশন পলিসিতে স্কোয়াড সাজিয়েছে। ইংল্যান্ডে টেস্ট খেললেও আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস সফর থেকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে কেন উইলিয়ামসন, ট্রেন্ট বোল্ট, টিম সাউদি ও ডেভন কনওয়ের মতো সিনিয়রদের। আইরিশদের বিপক্ষে ওয়ানডে খেলে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে টম ল্যাথাম ও হেনরি নিকোলসকেও। অবশ্য অভিজ্ঞ সবাই ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ফিরছেন। তার পর তারা সেপ্টেম্বরে উড়ে যাবে অস্ট্রেলিয়া। সেখানে তিনটি ওয়ানডে খেলবে। অক্টোবরে বাংলাদেশ, পাকিস্তানকে নিয়ে খেলবে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ। যা আসলে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ড্রেস রিহার্সেল।

