
টি-টোয়েন্টি
বিশ্বকাপ চলাকালেই চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গিয়েছিলেন। পুনর্বাসনে থাকায় ছিলেন না
ঘরের মাঠে পাকিস্তান সিরিজ কিংবা বিপিএল বা সদ্য সমাপ্ত আফগানিস্তান সিরিজেও। দীর্ঘদিন
বাইশগজের বাইরে থাকা টাইগার অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন এখন মাঠে নামার প্রহর গুনছেন।
তবে দলে তুমুল
প্রতিযোগিতা থাকায় কবে নাগাদ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন হবে জানেন না এ ক্রিকেটার।
শুরু হতে যাওয়া প্রিমিয়ার লিগ-ডিপিএলে আবাহনী লিমিটেডের হয়ে নাম লেখানো সাইফউদ্দিন
টুর্নামেন্টটিতে ব্যাট ও বলে দ্যুতি ছড়িয়ে ফিরতে চান পুরনো ফর্মে। ম্যাচ বাই ম্যাচ
এগোতে চান তিনি। সময় সংবাদের প্রতিবেদক মো. ফখরুল ইসলামের সঙ্গে একান্ত আলাপে কথা বলেছেন
সেসব বিষয় নিয়েই।
সর্বনাশা ইনজুরির
থাবা যেন পিছু ছাড়ছে না সাইফউদ্দিনের। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই একের পর এক চোট তাকে
যেন বারবার টেনে ধরছে। গেল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ছিল তার জন্য অভিষেক বিশ্বকাপ। এক
বুক স্বপ্ন নিয়ে পাড়ি জমিয়েছিলেন বিশ্ব আসর মাতাতে। কিন্তু মাঝপথেই চোটের থাবায় ভগ্নহৃদয়ে
ছাড়তে হয় টুর্নামেন্ট। এরপর দীর্ঘ পাঁচ মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো মাঠে ফিরতে
পারেননি তিনি।
সময় সংবাদকে তিনি
জানান, পুর্নবাসনের পুরোটা সময় আমি গ্রামের বাড়িতেই কাটিয়েছি। জাতীয় দল ঘরের মাঠে সিরিজে
ব্যস্ত থাকায় আর বায়োবাবলের বিষয় থাকায় ঢাকায় আসিনি। এখন ডিপিএল খেলতে আবার ব্যাক করেছি।
বলেন, বায়োবাবলের কারণে মিরপুরে সেভাবে প্রাকটিচ করতে পারতাম না। তাই এতদিন ফিরিনি।
ডিপিএল সামনে
রেখে মঙ্গলবার (৭ মার্চ) মিরপুরে অনুশীলন করেছেন প্রথমবারের মতো। গণমাধ্যমকে তিনি বলেছিলেন,
পুনর্বাসনের সময়ে জাতীয় দলের কোচিং প্যানেল বা টিম ম্যানেজম্যান্টের কেউ তার সঙ্গে
যোগাযোগ করেননি।
সময় সংবাদের পক্ষ
থেকে এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, দেখুন আমি চোটে পড়ার পর তারা (বোর্ড) টাকা
খরচ করে আমার চিকিৎসা করিয়েছে। এছাড়া আমাদের ট্রেইনার ইফতি ভাই আমাকে বারবার বলেছিলেন
যে কোনো প্রয়োজনে জানাতে। আসলে বিসিবির ট্রেইনাররাসহ যারা আছে সবাই তো ব্যস্ত। কেউ
বাংলাদেশ টাইগার্স, কেউ জাতীয় দলে, কেউ অনুর্ধ্ব-১৯ দল নিয়ে ব্যস্ত। এ কারণে কোচসহ
কারও প্রতি কোনো অভিযোগ নেই তার।
অনেকদিন মাঠের
বাইরে থাকায় সহসা যে জাতীয় দলে ফেরা হচ্ছে না সেই বাস্তবতা আগে থেকেই মেনে নিয়েছেন
সাইফউদ্দিন। বলেন, আমি এখন জাতীয় দলে নেই, তাই জাতীয় দল নিয়ে ভাবনাও নেই। যদি দল মনে
করে আমার প্রয়োজন, তখন আমি জাতীয় দল নিয়ে কথা বলব। এখন আবাহনীতে আছি, সব মনোযোগ এখানেই।’
তিনি বলেন, ‘আপাতত লক্ষ্য আবাহনীর হয়ে ভালো খেলা। এরপর যা হওয়ার হবে।

