Logo
শিরোনাম

গ্রিন হাইড্রোজেনে ভারতের ২৩০ কোটি ডলারের তহবিল

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ জানুয়ারি ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ নভেম্বর ২০২৩ | ৭৯৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদন, ব্যবহার ও রফতানিতে ২৩০ কোটি ডলারের তহবিল অনুমোদন দিয়েছে ভারত সরকার। এর মধ্য দিয়ে ভারতকে বর্ধনশীল খাতটির বৈশ্বিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

চলতি দশকের শেষ নাগাদ ৫০ লাখ টন পরিবেশবান্ধব জ্বালানি উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের। নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে তৈরি করা বিদ্যুৎ ব্যবহার করে পানির তড়িৎ বিশ্লেষণ থেকে বানানো হয় গ্রিন হাইড্রোজেন। বিশ্বের মোট হাইড্রোজেনের বেশির ভাগই তৈরি করা হয় জীবাশ্ম জ্বালানি বিশেষ করে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে।

ভারতের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, গ্রিন হাইড্রোজেন সহজলভ্য করা এবং আগামী পাঁচ বছরে এর দাম কমিয়ে আনাই এ তহবিল অনুমোদনের উদ্দেশ্য। এর মাধ্যমে ভারতে কার্বন নিঃসরণও কমে আসবে এবং এ খাতে দেশ সবচেয়ে বড় রফতানিকারক হয়ে উঠতে পারে। এ অর্থায়নের কারণে ২০৩০ সাল নাগাদ ১২৫ গিগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতা বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে। গত অক্টোবর পর্যন্ত ভারতের ১৬৬ গিগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতা রয়েছে। তাছাড়া ৫০ হাজারের বেশি নতুন চাকরির ক্ষেত্র তৈরি করা, এ খাতে আরো বেশি বেসরকারি বিনিয়োগ আহ্বান করা, জীবাশ্ম জ্বালানি আমদানি কমানো এবং পাঁচ কোটি টন গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ কমানোও এমন পদক্ষেপের উদ্দেশ্য ছিল।

ভারতের সেরা নবায়নযোগ্য কিছু জ্বালানি প্রতিষ্ঠান যেমন আদানি গ্রুপের মালিকানাধীন কোম্পানি, রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রি ও জেএসডব্লিউ এনার্জি, সরকারি খাতের কোম্পানি যেমন ইন্ডিয়ান অয়েল, এনটিপিসি লিমিটেড এবং নবায়নযোগ্য প্রতিষ্ঠান রিনিউ পাওয়ার গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদনে মনোযোগ দিচ্ছে।

বিশ্বে বর্তমানে যে পরিমাণ হাইড্রোজেন ব্যবহার হচ্ছে তার খুব অল্পই গ্রিন হাইড্রোজেন। এর মোট পরিমাণ বছরে সাত কোটি টন। সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিকভাবে তৈরি করা হয় গ্রে হাইড্রোজেন, যা জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারে তৈরি। এছাড়া ব্লু হাইড্রোজেনও জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারে তৈরি করা হয়। কিন্তু সেখানে নিঃসরণ কমানোর জন্য কার্বন ক্যাপচার পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদনের ফলে কার্বন নিঃসরণ আরো কমে আসবে অথবা কোনো নিঃসরণই হবে না।

গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদনে উৎসাহিত করতে ভারত বেশকিছু দেশ যেমন চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের পথ অনুসরণ করছে। জ্বালানি বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা, আগামী কয়েক বছরে গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদনের খরচ অনেক কমে আসবে। এতে ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রিন হাইড্রোনের বাজার ২০ গুণ বেড়ে ৮ হাজার কোটি ডলারে গিয়ে দাঁড়াবে।


আরও খবর