
পুরুষপ্রধান সিনেমায় অভিনেত্রীদের তেমন গুরুত্ব থাকে না। প্রশ্ন উঠেছে নায়কপ্রধান লাইগার সিনেমায় অনন্যা পাণ্ডের ভূমিকা কতখানি? গতকাল মুক্তি পাওয়া সিনেমাটিতে নিজেকে প্রমাণ করার কতটা সুযোগ পেয়েছেন তিনি?
অনন্যা বলেন, ‘সিনেমায় আমার অভিনীত চরিত্রের নাম তান্যা। খুব চঞ্চল, নাটুকে একটি মেয়ে, সেই সঙ্গে খুব সৎ। লাইগার পুরোপুরি অ্যাকশনধর্মী সিনেমা নয়। এতে রোমান্স, কমেডি সবই আছে। সিনেমায় নারী চরিত্রগুলোও খুব শক্তিশালী, গুরুত্বপূর্ণ। বিজয়ের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন রম্যা কৃষ্ণন। গুরুত্ব না থাকলে ওনার মতো তারকা অভিনেত্রী অভিনয় করতেন না।’
বলিউডে জাহ্নবী
কাপুর, সারা আলী খানের এই সময়ের ক্রাশ দক্ষিণের তারকা বিজয়। তাঁর সঙ্গে অভিনয়ের সুযোগ
মিলেছে অনন্যার। তা নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত তিনি। অনন্যা বলেন, ‘খুব সরল, অমায়িক একজন মানুষ বিজয়।
আমাদের আলাদা করে বন্ধুত্ব গড়ে তুলতে হয়নি। প্রথম দিন থেকেই মনে হয়েছিল একে অপরকে অনেক
দিন ধরে জানি। যদিও আমরা একে অপরের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা।’ তবে গুঞ্জন উঠেছে প্রেমে পড়েছেন দুজন। এই সিনেমার শুটিংয়ের সময়ই বিজয়ের
প্রেম ভেঙে যায়। বিজয় নাকি অনন্যার কাঁধে মাথা রেখে কেঁদেছিলেন। অনন্যাও স্বীকার করেছেন
সে ঘটনা। বললেন, ‘আমরা এখন পরস্পরের ভালো বন্ধু। তাই বিজয় আমার সামনে কেঁদেছিল। এর বাইরে
কিছু নয়।’
অনেকেই বলছেন,
অনন্যা স্টার কিড। তাই বড় বাজেটের সিনেমায় সুযোগ পেতে বেগ পেতে হয় না। কিন্তু অভিনয়
দক্ষতা তাঁর জিরো। অনন্যা বলেন, ‘আমি যে পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করেছি, তাঁদের সঙ্গে জোর খাটিয়ে অভিনয় করার
সুযোগই তো নেই। নিন্দুকের কথায় কান দিতে চাই না। আমি আমার কাজটা করে যেতে চাই। আমার
অভিনয় দক্ষতার প্রমাণ তো সিনেমার পর্দায়ই মিলবে। লাইগার সিনেমাটিই প্রমাণ দেবে আমি
অভিনয় পারি ও কঠোর পরিশ্রমী।’
মুম্বাইয়ের
বস্তির এক চা-ওয়ালার যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে পেশাদার বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে যোগ দেওয়ার
গল্প নিয়ে সিনেমা লাইগার। এই সিনেমা দিয়ে বলিউডে অভিষেক হয়েছে দক্ষিণী তারকা বিজয় দেবেরাকোণ্ডার।
সিনেমাতে বিজয়ের নায়িকা অনন্যা পাণ্ডে। পরিচালনায় পুরি জগন্নাথ। হিন্দি, তেলুগু, তামিল,
কন্নড়, মালয়ালম—এই পাঁচটি ভাষায়
মুক্তি পেয়েছে লাইগার। ধর্মা প্রোডাকশনের এই সিনেমায় বিজয়, অনন্যা ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ
চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাহুবলীখ্যাত রম্যা কৃষ্ণান ও রনিত রায়।

