
অবৈধ সম্পদ অর্জনের
অভিযোগে দুদকের করা মামলায় জামিন মেলেনি যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী
সম্রাটের। চার মামলার মধ্যে তিনটি মামলায় জামিন পেয়েছেন তিনি। তবে অবৈধ সম্পদ অর্জনের
মামলায় জামিন না পাওয়ায় তার মুক্তি মিলছে না। বুধবার (১৩ এপ্রিল) ঢাকার বিশেষ আদালত-৬
এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালতে এ আদেশ দেন।
সম্রাটের আইনজীবী
এহসানুল হক সমাজী আদালতে জামিন বিষয়ে শুনানি ও অভিযোগ গঠন পেছানোর আবেদন করেন। অপরদিকে,
রাষ্ট্রপক্ষ দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোশারফ হোসেন কাজল জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়
পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান অভিযোগ গঠন পেছানোর আবেদন মঞ্জুর
করেন এবং জামিন নামঞ্জুর করেন।
এর আগে, গত ১১
এপ্রিল মাদক মামলায় জামিন পান সম্রাট। রোববার (১০ এপ্রিল) তিনি ২০১৯ সালে রমনা থানায়
দায়েরকৃত অর্থপাচার ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত পৃথক ২টি মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন
জামিন পান।
মামলার অভিযোগ
থেকে জানা যায়, সম্রাটের বিরুদ্ধে দুই কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত
সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। এ ঘটনায় ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের
করেন দুদক উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম। এরপর দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত বছরের ২৬ নভেম্বর
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদক উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল
করেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৯
সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর সম্রাটের নাম উঠে
আসে। এরপর থেকেই তাকে নিয়ে শুরু হয় নানা গুঞ্জন। অভিযান শুরুর পর কয়েকজন গ্রেফতার
হলেও খোঁজ পাওয়া যায় না সম্রাটের। এসবের মধ্যে তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
২০১৯ সালের ৬
অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামে আত্মগোপনে থাকা
সম্রাট ও আরমানকে গ্রেফতার করে র্যাব।

