Logo
শিরোনাম

ঢিলেঢালা ভাবে চলছে কঠোর বিধিনিষেধ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ নভেম্বর ২০২৩ | ২৩০০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
রামপুরা মোল্লাবাড়ী বাজারে গিয়ে দেখা যায়, মানুষ গিজগিজ করছে। মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা তো দূরের কথা অনেকে মাস্কও পরছে না

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়েছে সাতদিনের কঠোর বিধিনিষেধ। তবে কঠোর বিধিনিষেধ বলা হলেও তেমন কোন তৎপরা লক্ষ্য করা যায় নি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুড়ে। গণ পরিবহন বাদ দিয়ে সড়কে চলছে সব কিছুই যেন দেখার কেউ নেই।

বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) রাজধানীর যাত্রাবাড়ি সড়কে একেবারেই ভিন্ন চিত্র। এই সড়কে চলাচল করা প্রাইভেটকার, সিএনজিকে কোনো জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হচ্ছে না। ফলে এই সড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে প্রাইভেটকার-সিএনজি। কোন কঠোরতা নেই সায়দাবাদেও।

বৃহস্পতিবার সকালে রামপুরা মোল্লাবাড়ী বাজারে গিয়ে দেখা যায়, মানুষ গিজগিজ করছে। মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা তো দূরের কথা অনেকে মাস্কও পরছে না। আবার যারা বাজারে যাচ্ছেন তাদের সবাই বাজার করছেন না। অকারণেই বাজারের ভেতর ও রাস্তায় ঘোরাঘুরি করছেন।

বাজারটিতে মাস্ক না পরে সবজি কিনতে আসা আলেয়া নামের একজন বলেন, পরিবারের জন্য বাজার করতে এসেছি। বাজার না করলে খাব কী?

মাস্ক না পরার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, শুধু আমি একা না, অনেকেই দেখেন মাস্ক পরেনি। আর মাস্ক পরে কী হবে? আল্লাহ যার করোনা দেবে ঘরের মধ্যে বসে থাকলেও দেবে।

শহীদুল নামের বাজারটির এক ব্যবসায়ী বলেন, এই বাজারে প্রতিদিন এমন ভিড় লেগে থাকে। গতবছর বিধিনিষেধ দিয়েও মানুষকে আটকানো যায়নি। এবার তো মানুষের মধ্যে করোনা নিয়ে তেমন ভয় নেই। তাহলে আটকাবে কেমনে? এই বাজার মহল্লার ভেতরে। এখানে পুলিশ টহল দিতে আসে না। তাই কোনো ভয় নেই। এ কারণেই হয় তো মানুষ মাস্ক ছাড়া আসছে এবং ভিড় করে বাজার করছে।

রামপুরার মতো মালিবাগ অঞ্চলেও অপ্রয়োজনে মানুষকে ঘরে বাইরে বের হতে দেখা যাচ্ছে। সেই সঙ্গে মাস্ক না পরেই ঘোরাঘুরি করছে অনেকে। আর বাজারগুলোতে রয়েছে ভিড়। এর মধ্যে হাজীপাড়া বৌবাজারে সব থেকে বেশি ভিড় দেখা গেছে।

সড়কে গাড়ি বা সিএনজি নিয়ে বের হওয়া অধিকাংশ মানুষই মেডিকেলের কারণ দেখাচ্ছেন। সত্যতা যাচাই করে সহজে ছাড়াও পাচ্ছেন তারা। কেউ কেউ মিথ্যার আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তাদের।


আরও খবর