Logo
শিরোনাম

চিনির দাম বেশি হওয়ার কারণ জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ নভেম্বর ২০২৩ | ১১০০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় চিনির উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, বাজারে পর্যাপ্ত চিনি আছে। কাজেই চিনি নিয়ে নেতিবাচক কোনো প্রভাব দেখছি না। জানুয়ারি পর্যন্ত কোনো সমস্যা নেই।

আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দ্রব্যমূল্য ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের চতুর্থ সভায় সভাপতিত্ব করেন তিনি। সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, যে সমস্যা পেয়েছি তা হলো, গ্যাসের সরবরাহের অপ্রতুলতা, যার কারণে ৬৬ শতাংশের বেশি চিনি উৎপাদন করা যাচ্ছে না। আশা করি, দু-একদিনের মধ্যে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হলে যে পরিমাণ চিনি দরকার, তা উৎপাদন সম্ভব হবে।

মন্ত্রী বলেন, চিনির সরবরাহ ঠিকভাবে হওয়া দরকার। সরবরাহ ধীরগতি হলে সমস্যা, সরবরাহ স্বাভাবিক হলে যে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে সে দামে বিক্রি করা যাবে।

টিপু মুনশি বলেন, অনেক চিনি গুদামে পড়ে আছে; তা প্রক্রিয়াজাত করতে পারলে বাজারে আসবে। গ্যাসের সমস্যা সমাধান হলেই এটি প্রক্রিয়াজাত করা যাবে। যারা গ্যাসের বিষয়টি দেখে, তারা বলছে পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটছে।

চলমান বিদ্যুৎ সংকটের বিষয়ে তিনি বলেন, বিদ্যুতের অবস্থা উন্নতি হবে। তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

কয়েকদিন ধরেই বাজারে চিনির সংকট চলছে। লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়াচ্ছেন বিক্রেতারা। অস্থিরতা কমানোর কোনো আভাস মিলছে না। পাইকারি ও খুচরা পর্যায়েই খোলা চিনির দাম সপ্তাহ ব্যবধানে কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে। আর সরকার নির্ধারিত ৯৫ টাকা দরের প্যাকেটের চিনিও উধাও। পাওয়া গেলেও তার দাম রাখা হচ্ছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকা করে।


আরও খবর