
খিচুড়ি ছাড়া বাঙালির বর্ষাকাল জমে না।
স্বাদের পাশাপাশি খিচুড়ির পুষ্টিগুণও রয়েছে। তবে বর্ষায় কেন খিচুড়ি খাওয়া হয় এই নিয়ে
একটি গল্প প্রচলিত আছে। আগে বৃষ্টির দিনে রান্নাঘর, মাটির উনুন ভেজা থাকত। তাই সময়
বাঁচাতে একসঙ্গে চাল ডাল বসিয়ে খিচুড়ি রান্না করা হতো। সেই থেকেই বাদল দিনে খিচুড়ি
খাওয়ার প্রচলন এসেছে। খিচুড়ির পুষ্টিগুণের কথা চলুন জেনে নেওয়া যাক।
১. খিচুড়ি পু্ষ্টির সঠিক সামঞ্জস্য আছে।
খিচুড়ি থেকে শর্করা, প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস
এবং পটাশিয়াম পায় আমাদের শরীর ৷সবজি যোগ করলে আরও বেড়ে যায় এর খাদ্যগুণ ৷
২. নরম ও পুষ্টিকর হওয়াও খিচুড়ি শিশু
ও বৃদ্ধদের উপযোগী। তবে সে ক্ষেত্রে খিচুড়িতে মশলার পরিমাণ ঠিক রাখতে হবে। তা হলেই
তা সহজপাচ্য হবে।
৩. আয়ুর্বেদ মতে যে ত্রিদোষ, সেই বায়ু,
পিত্ত ও কফ-কে নিয়ন্ত্রণে রাখে খিচুড়ি। তাই আয়ুর্বেদশাস্ত্রে খিচুড়ির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
শরীরকে শীতল রাখার পাশাপাশি এই খাবার টক্সিন দূর করে ৷ সেই সাথে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা
বাড়ায় খিচুড়ি।
৪. গ্লুটেনমুক্ত খাবার যারা পছন্দ করেন বা শারীরিক প্রয়োজনে খান, তারা খাবার তালিকায় অবশ্যই রাখুন খিচুড়ি।

