
বিদেশি চ্যানেল ইস্যুতে সরকার কোনও চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। রোববার (৩ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে গণমাধ্যমকে এ কথা জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘সব দেশেই সম্প্রচার নীতিমালা রয়েছে। আমাদের দেশেও আছে। কিন্তু তারা (সংশ্লিষ্টরা) এদেশের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে। তাদের দুই বছর সময় দেয়া হয়েছিল। তবু কোনও পদক্ষেপ নেয়নি।’
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘দেশের আইন মেনে স্বার্থ সংরক্ষণ করে ক্যাবল অপারেটরদের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে। তারা আমাদের সহযোগী, আলোচনা হতেই পারে। তবে কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না সরকার।’
তিনি বলেন, ১৭টি চ্যানেলের ক্লিন ফিড আসে। সেগুলো অনেকে চালাচ্ছে না। তারা শর্তভঙ্গের অভিযোগে অভিযুক্ত হবে। সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা অব্যাহত থাকবে। যেকোনো অভিযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
৪ অক্টোবরের পর আন্দোলনের হুমকি দিয়েছে কেবল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)। এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এ ধরনের আন্দোলনের কথা বলা অযৌক্তিক। যেসব চ্যানেল দেশের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছে, সংস্কৃতিকে চোখ রাঙাচ্ছে; সেগুলোর পক্ষে ওকালতি করা দেশের স্বার্থ ও আইনবিরোধী।
তাদের উদ্দেশে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, দেশের স্বার্থবিরোধী কার্যক্রমে লিপ্ত হবেন না। সরকার কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না। সরকার দেশের স্বার্থ এবং আইন বাস্তবায়ন করতে বদ্ধপরিকর।
এ সময় সরকার কোনো বিদেশি চ্যানেল বন্ধ করেনি বলেও জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কোনো বিদেশি চ্যানেল বন্ধ করিনি। বাংলাদেশের আকাশ উন্মুক্ত। এখানে যেকোনো চ্যানেল সম্প্রচার করতে পারে। তবে দেশের আইন মেনে করতে হবে।’

