Logo
শিরোনাম

আজ সৈয়দ আশরাফের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জানুয়ারি ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ নভেম্বর ২০২৩ | ১৩৪৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ সোমবার (৩ জানুয়ারি)। ২০১৯ সালের এই দিনে ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন। এ উপলক্ষে বনানী কবরস্থানে সোমবার শ্রদ্ধা নিবেদন করবে সৈয়দ আশরাফ স্মৃতি সংসদ।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ছিলেন ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর জেল হত্যার শিকার জাতীয় চার নেতার অন্যতম ও মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের বড় ছেলে। তিনি কিশোরগঞ্জ-১ ও কিশোরগঞ্জ-৩ আসন থেকে মোট পাঁচবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

সৈয়দ আশরাফ ১৯৫২ সালের ১ জানুয়ারি ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।  ছাত্র জীবনে ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন সৈয়দ আশরাফ। স্বাধীনতার পর তিনি ময়মনসিংহ জেলার ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া তিনি ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-প্রচার সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নেন। তিনি মুক্তিবাহিনীর একজন সদস্য ছিলেন। ভারতের দেরাদুনে প্রশিক্ষণ নেন তিনি।

জাতীয় চার নেতার সঙ্গে পিতা সৈয়দ নজরুল ইসলামের নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর যুক্তরাজ্য চলে যান সৈয়দ আশরাফ। প্রবাস জীবনে তিনি যুক্তরাজ্যে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আশরাফুল ইসলাম ১৯৯৬ সালে দেশে ফিরে আসেন এবং কিশোরগঞ্জ সদর আসন থেকে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০১ সালের ১ অক্টোবরে অনুষ্ঠিত অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় তিনি নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালের ১৬ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। ২০১৮ সালের ৩০ জানুয়ারির নির্বাচনে তিনি জয়লাভ করলেও শপথ গ্রহণের আগেই তিনি মারা যান।

ওয়ান ইলেভেনের সময় দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রেপ্তার হওয়ার পর আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত রাখতে সৈয়দ আশরাফ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ওই সময় তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। পরে ২০০৯ সালের সম্মেলনে তিনি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১৬ সাল পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করেন। পরে দলের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য নির্বাচিত হন।


আরও খবর