
জাতীয় বস্ত্র দিবস আজ শনিবার। এবারের প্রতিপাদ্য
'বস্ত্র খাতের বিশ্বায়ন-বাংলাদেশের উন্নয়ন'। এ উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ
আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে আছে- বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, বস্ত্রশিল্পের বিশেষ
অবদানের জন্য সম্মাননা প্রদান। এ ছাড়াও বস্ত্রশিল্পের গুরুত্ব তুলে ধরে বিশেষ ক্রোড়পত্র
প্রকাশ করা হয়েছে জাতীয় দৈনিকগুলোয়। ২০১৯ সাল থেকে প্রতিবছর ৪ ডিসেম্বর জাতীয়ভাবে দিবসটি
পালিত হচ্ছে।
বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, বস্ত্রশিল্প
দেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবুর রহমান বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার মাধ্যমে এ খাতকে সুসংহত ও গতিশীল করার উদ্যোগ
নেন। বর্তমানে দেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ বস্ত্রশিল্প থেকে অর্জিত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেছেন, দেশের
বস্ত্রশিল্পের ইতিহাস সুপ্রাচীন এবং গৌরবময়। এ খাত দেশের অর্থনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতির
অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে ভূমিকা রেখে চলেছে।
জানা গেছে, আজ সকালে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার
মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু করা হবে। এতে নেতৃত্ব দেবেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম
দস্তগীর গাজী এবং শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান। শোভাযাত্রা শেষে ওসমানী
স্মৃতি মিলনায়তনে সম্মাননা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তারা। করোনাকালে বস্ত্র খাতে বিশেষ
অবদানের জন্য এ বছর সাতটি সংগঠনকে সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।

