
আবারও ক্ষেপণাস্ত্র
ছুড়েছে উত্তর কোরিয়া। এবার একসঙ্গে দুটি স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে
দেশটি। এমনটাই দাবি করছে প্রতিবেশী দেশ দক্ষিণ কোরিয়া।
পিয়ংইয়ং পরমাণু
অস্ত্রের পরীক্ষা চালাতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছিল। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এমন
উদ্বেগের মধ্যে শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হলো।
শুক্রবার (২৮
অক্টোবর) ১২ দিনের স্থল-নৌ যৌথ সামরিক মহড়া শেষ করেছে দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র।
আগামী সোমবার থেকে বড় ধরনের সম্মিলিত বিমান মহড়া শুরু করবে দেশ দুটি।
এই মহড়ায় দুই
দেশের ২০০টির বেশি যুদ্ধবিমান অংশ নেবে। এমন প্রেক্ষাপটে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র
ছুড়ল উত্তর কোরিয়া।
সিউল ও ওয়াশিংটনের
এ ধরনের মহড়ায় ক্ষুব্ধ উত্তর কোরিয়া। একে হামলার মহড়া হিসেবে দেখে পিয়ংইয়ং। তাই সম্ভাব্য
আক্রমণের পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে তারা দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র
ও দক্ষিণ কোরিয়া কয়েক সপ্তাহ ধরে সতর্ক করে আসছে, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন আরেকটি
পরমাণু পরীক্ষা চালাতে পারেন।
সবশেষ ক্ষেপণাস্ত্রের
বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী বলছে, উত্তর কোরিয়ার ক্যাঙ্গন প্রদেশের তংচন এলাকার
উপকূল থেকে ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তারা শনাক্ত করেছে।
দেশটির জয়েন্ট
চিফস অব স্টাফের (জেসিএস) এক বিবৃতিতে বলা হয়, সিউল পর্যবেক্ষণ ও নজরদারি বাড়িয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে তারা পূর্ণ প্রস্তুতি অবস্থা বজায় রাখছে।
জেসিএ বলেছে,
ক্ষেপণাস্ত্র দুটি পরপর উৎক্ষেপণ করা হয়। প্রথমটা বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে আর দ্বিতীয়টা
১২টা ১৮ মিনিটে। দুটি ক্ষেপণাস্ত্রই সর্বোচ্চ ২৪ কিলোমিটার উঁচুতে উঠে ২৩০ কিলোমিটার
দূরে গিয়ে পড়েছে।
চলতি বছর পিয়ংইয়ং
রেকর্ডসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে। পিয়ংইয়ংয়ের এসব ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার
জেরে কোরীয় উপদ্বীপে উত্তেজনা বেড়ে চলেছে।
সবশেষ ক্ষেপণাস্ত্র
ছোড়া হয়েছে তংচন ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকেন্দ্র থেকে। কেন্দ্রটি আন্তঃকোরীয় সীমান্ত
থেকে মাত্র ৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

