
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভাতৃপ্রতীম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সম্মেলন আগামী ৩ ডিসেম্বর হচ্ছে না। সম্মেলন করতে শিগগির নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হবে। আওয়ামী লীগের নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে মঙ্গলবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত হয়েছে। এর আগে গত ৪ নভেম্বর গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভায় ৩ ডিসেম্বর ছাত্রলীগের সম্মেলনের সিদ্ধান্ত হয়।
একই সভায় আওয়ামী
লীগের দুই সহযোগী সংগঠন মহিলা লীগ ও যুব মহিলা লীগের সম্মেলনের তারিখও নির্ধারণ করা
হয়। এর মধ্যে ২৬ নভেম্বর মহিলা লীগ ও ৯ ডিসেম্বর যুব মহিলা লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত
হবে।
তিনটি সম্মেলনই
হবে রাজধানীর সোহরাওয়াদী উদ্যানে হবে জানিয়ে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া
সেদিন বলেছিলেন, ‘আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিনটি সম্মেলনেই উপস্থিত
থাকবেন।’
২০১৮ সালের
১১ ও ১২ মে ছাত্রলীগের সর্বশেষ ২৯তম জাতীয় সম্মেলন হয়। ওই সম্মেলনের আড়াই মাস পর ৩১
জুলাই আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে সভাপতি
এবং গোলাম রাব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক করে ছাত্রলীগের কমিটি চূড়ান্ত করেন।
চাঁদাবাজির
অভিযোগে সমালোচনার মুখে থাকা অবস্থায় ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ছাত্রলীগের নেতৃত্ব
হারান শোভন ও রাব্বানী। সেদিনই সংগঠনের প্রথম সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়কে ভারপ্রাপ্ত
সভাপতি আর প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের
দায়িত্ব দেওয়া হয়।
২০২০ সালের
৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জয় ও লেখককে পুর্ণাঙ্গ দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এরপর থেকে তারা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

